ঢাকা, ২০২২-০৬-২৬ | ১২ আষাঢ়,  ১৪২৯
সর্বশেষ: 
উবার ও লিফট ড্রাইভারদের বেতন বৃদ্ধি নিরাপত্তা নিয়ে শংকিত আমেরিকা -চিকেন ফার্মে বার্ড ফ্লু আতঙ্ক মেডিকেইড হারাচ্ছেন লাখো আমেরিকান পাল্টে যাচ্ছে রাজনীতির হিসাব-নিকাশ! অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় হস্তক্ষেপ না করার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র বিচার ১২৩ বছর আগে গ্রেপ্তার গাছ, শেকলে বন্দি আজো ফ্রান্স প্রেসিডেন্টকে চড় মারার মাশুল কতটা? কুরআনের আয়াত বাতিলে ‘ফালতু’ রিট করায় আবেদনকারীকে জরিমানা আদালতের দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড ওয়াক্ত ও তারাবি নামাজের জামাতে সর্বোচ্চ ২০ জন বিদেশে মারা গেছে ২৭০০ বাংলাদেশি আর্থিক ক্ষতি মেনেই সাঙ্গ হলো বইমেলা সুন্দরী মডেলের অপহরণ চক্র ! মোটরসাইকেল উৎপাদনে বিপ্লবে দেশ যুক্তরাজ্যে করোনার আরও মারাত্মক ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত ৮ থেকে ১২ সপ্তাহ বিরতিতে অক্সফোর্ডের টিকা বেশি কার্যকর সবাই সপরিবারে নির্ভয়ে করোনা ভ্যাকসিন নিন: প্রধানমন্ত্রী শেষ রাতে দু’রাকাত নামাজ জীবন পরিবর্তন করে দিতে পারে নতুন করোনাভাইরাস আতঙ্কে ইউরোপ-আমেরিকার শেয়ারবাজারে ধস জুনের মধ্যে আসছে আরও ৬ কোটি করোনার টিকা বাড়িভাড়ায় নাভিশ্বাস, ফের বাড়ানোর পাঁয়তারা অমিতাভের পর অভিষেকও করোনা আক্রান্ত বিশ্ব ধরেই নিচ্ছে বাংলাদেশ জালিয়াতির দেশ : শাহরিয়ার কবির ইরাকে মর্গের পাশে রাত কাটছে বাংলাদেশিদের! বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শক বাংলাদেশের সেঁজুতি সাহা সাহেদর টাকা থাকত নাসির, ইন্ডিয়ান বাবু ও স্ত্রী সাদিয়ার কাছে ‘বাংলাদেশিদের ভোট দিন’ মানবতার সেবায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ অনিশ্চিতায় ফেরদৌস খন্দকার কৃষ্ণাঙ্গ হত্যা থামছেই না বিক্ষোভ অব্যাহত গভর্নরের সিদ্ধান্ত মানছে না মেয়র অভিবাসীরা জিতলেন হারলেন ট্রাম্প করোনার ধাক্কা - মে মাসে রপ্তানি কমেছে ২০ হাজার কোটি টাকার পুলিশ সংস্কার বিল উঠলো মার্কিন কংগ্রেসে লাইফ সাপোর্টে থাকা নাসিমের জন্য মেডিকেল বোর্ড পুনর্গঠন আইসিইউ নিয়ে হাহাকার ঈদের ছুটিতে অনিরাপদ হয়ে উঠছে গ্রামগুলো ঘরে ঘরে ভুতুড়ে বিল, বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে সমন্বয় হবে নিউইয়র্কে ‘ট্রাম্প ডেথ ক্লক’ নিউইয়র্কে জেবিবিএ’র পরিচালক ইকবালুর রশীদ লিটনের মৃত্যু নিজ আয়ে চলা শুরু করলো বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি কবে খুলবে নিউইয়র্ক নিউইয়র্কে এবার নতুন ভাইরাসে শিশুরা আক্রান্ত
২০ হাজার ফুটবল মাঠের সমান উদ্ভিদের সন্ধান

এখনও পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে বড় উদ্ভিদের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এটি একটি 'সি গ্রাস' বা সামুদ্রিক ঘাস যা নিউইয়র্কের ম্যানহাটন এলাকার চাইতেও তিন গুণ বড়। অস্ট্রেলিয়ার সমুদ্র উপকূলে এই গাছটির সন্ধান পাওয়া গেছে।

গাছটির জিনগত পরীক্ষার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিম উপকূলে পানির নিচের বৃহৎ এই ঘাসটি আসলে একটিই গাছ। ধারণা করা হচ্ছে, একটি মাত্র বীজ থেকে সাড়ে চার হাজার বছর ধরে গাছটি বেড়ে উঠেছে।

ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলছেন, এই সি গ্রাস ২০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে আছে। তারা বলছেন, এই উদ্ভিদের আকার ২০ হাজার ফুটবল মাঠের সমান।

অস্ট্রেলিয়ার পার্থ শহর থেকে ৮০০ কিলোমিটার উত্তরে শার্ক বে-তে অনেকটা আকস্মিকভাবেই বিজ্ঞানীরা এই উদ্ভিদের খোঁজ পান।

এর পর তারা এই উদ্ভিদের জিনগত বৈশিষ্ট্য বোঝার চেষ্টা করেন। এই সি গ্রাস 'রিবন উইড' নামেও পরিচিত। অস্ট্রেলিয়ার সমুদ্র উপকূলে এই উদ্ভিদটি পাওয়া যায়।

গবেষণার লক্ষ্যে বিজ্ঞানীরা উপকূল থেকে এই গাছটির অঙ্কুর সংগ্রহ করেন এবং প্রায় ১৮ হাজার জিন পরীক্ষা করে দেখেন। এর মাধ্যমে তারা সেখানে কতোগুলো উদ্ভিদ আছে সেটা বোঝার চেষ্টা করেন।

"গবেষণার উত্তরে আমরা চমকে গেছি- সেখানে মাত্র একটিই গাছ," বলেন জেন এজলো, যিনি এই গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছেন। "শার্ক বে-র ১৮০ কিলোমিটার-জুড়ে এই একটিই গাছ ছড়িয়ে পড়েছে ফলে এখনও পর্যন্ত এটিই বিশ্বের বৃহত্তম উদ্ভিদ," বলেন তিনি।

এই সি গ্রাসের দৃঢ়তাও উল্লেখযোগ্য। নানা রকমের পরিবেশ পরিস্থিতির মধ্যেই এই সি গ্রাসটি বেড়ে উঠতে পারে। "এটি টেকসই বলে মনে হচ্ছে। নানা মাত্রার তাপ, লবণাক্ততা এবং তীব্র আলোর মধ্যেও এটি টিকে আছে," বলেন একজন গবেষক ড. এলিজাবেথ সিনক্লেয়ার।

এই উদ্ভিদটি বছরে ৩৫ সেন্টিমিটার করে বাড়ে। এবং এই হিসাব থেকে গবেষকরা বের করেছেন যে বর্তমান অবস্থায় আসতে এই গুল্মের ৪,৫০০ বছর লেগেছে।


কেন ও কীভাবে পতন হয়েছিল প্রবল পরাক্রমশালী অটোমান সাম্রাজ্যের?
বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন

কেন ও কীভাবে পতন হয়েছিল প্রবল পরাক্রমশালী অটোমান সাম্রাজ্যের?

 তুরস্কের একজন গোত্রপতির হাত ধরে বহু বছর ধরে যে বিশাল সাম্রাজ্যের জন্ম হয়েছিল, তার পতন হতে সময় লেগেছিল মাত্র কয়েক বছর।

একের পর এক যুদ্ধ দিয়ে যারা ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার বহু দেশ দখল করে নিয়েছিল, একটি মহাযুদ্ধ সেই সাম্রাজ্যকে কয়েক বছরের মধ্যেই ধ্বংস করে দিয়েছিল।
বিদেশি ভাষায় বা ইংরেজিতে অটোমান সাম্রাজ্য বলে বর্ণনা করা হলেও তুরস্কের ভাষায় সেই সাম্রাজ্যের নাম ওসমানী সাম্রাজ্য। তার দলের সদস্যদের বলা হতো ওসমানী। তুরস্কের ভাষায় ওথমান।

বর্তমান তুরস্কের আনাতোলিয়ার ছোট একটি এলাকা থেকে এই রাজত্বের শুরু হয়েছিল, পরবর্তীতে তা লাখ লাখ বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল।

তবে ছয়শ’ বছর ধরে তৈরি হওয়া সাম্রাজ্যের পতন হয়েছিল আজ থেকে ঠিক একশ’ বছর আগে, মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে।

অটোমান রাজত্বের শুরু

অটোমান সুলতানদের পূর্বপুরুষ তুরকিকরা ছিলেন মধ্য এশিয়ার বাসিন্দা। তারা ছিলেন অনেকটা যাযাবর গোষ্ঠী।

সেখান থেকে দশম শতকে তারা পার্সিয়া বা আধুনিক ইরানের ভেতর দিয়ে নিজেদের বসবাসের উপযোগী জমির সন্ধানে অভিবাসন শুরু করেন।

‘ওসমান’স ড্রিম’ বইয়ে গবেষক ও ইতিহাসবিদ ক্যারোলিন ফিঙ্কেল অটোমান সাম্রাজের প্রতিষ্ঠা থেকে পতন পর্যন্ত ঘটনাবলীর বর্ণনা করেছেন।

একাদশ শতকের দিকে তারা আর্মেনিয়া এবং আনাতোলিয়ার ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করতে থাকেন। সেই সময় ওই এলাকা ছিল বাইজেন্টাইন রাজত্বের অধীনে। প্রাচীন রোমান সেই শাসকদের জৌলুশ ততদিনে কমতে শুরু করেছে।

ইতিহাসবিদদের তথ্যানুযায়ী, সেখানে একটি সালতানাত বা রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করে সেলজুক রাজবংশ। তাদের পক্ষে সীমান্ত এলাকায় লড়াই করে ভূমি বরাদ্দ পেয়েছিলেন এরকম একটি অভিবাসন গোত্রপতি কাইর গোত্রের প্রধান এরতুরুল, যা পরবর্তীতে অটোমান বেলিক নামে পরিচিতি পেয়েছে।

ইতিহাসবিদ স্যার এডওয়ার্ড শেফার্ড ক্রেসির ‘হিস্টোরি অব দ্য অটোমান টার্কস, ফ্রম দ্য বিগেনিং অব দেয়ার এমপায়ার টু দ্য প্রেজেন্ট টাইম’ বইতে সেই সময়কার ঘটনাবলীর বিস্তারিত বর্ণনা আছে।

তুরস্কের ভাষায় বেলিক মানে ছোট ছোট অধিপতি, যারা নিজেদের গোত্র বা বিশেষ এলাকা শাসন করতেন। সেলজুক নিয়মে এসব বেলিক প্রধানদের বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে রক্ষার নিশ্চয়তা দিতেন সুলতান। বদলে প্রয়োজনে তার পক্ষে যুদ্ধ করতে হতো। তবে তারা নিজেদের রীতিনীতি মেনে চলতে পারতো।

এরতুরুল থেকে ওসমান

সালতানাতের দূরবর্তী সীমান্ত এলাকায় হওয়ায় কাইর গোষ্ঠী সেই এলাকার পশ্চিম আনাতোলিয়ায় বসবাসকারী অন্যান্য গোত্রের সঙ্গে মিলে একটি সামরিক শক্তি তৈরি করে।

মোঙ্গলদের হামলায় সেলজুক রাজত্বের অবসান হলে তাদের এলাকা বিভিন্ন বেলিক বা গোত্রপতিদের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়। তারা মোঙ্গলদের কর দিয়ে নিজেদের এলাকা শাসন করতেন।

এরতুরুল-এর মৃত্যুর পর গোত্রপতি হন তার সন্তান প্রথম ওসমান। তার নামেই পরবর্তীতে ওসমানী রাজত্ব বা অটোমান এমপায়ারের জন্ম হয়। তার দলের লোকজনদের ডাকা হতো ওসমানী।

‘ওসমান’স ড্রিম’ বইয়ে ক্যারোলিন ফিঙ্কেল লিখেছেন, বাইজেন্টাইন সীমান্তের কাছাকাছি তার গোত্র বসবাস করলেও, ওসমানের কথা জানা যায় ১৩০১ সালে যখন তিনি প্রথম বাইজেন্টাইন একটি বাহিনীকে যুদ্ধে পরাজিত করেন। ওই যুদ্ধক্ষেত্র বাইজেন্টাইন রাজধানী কনস্টান্টিনোপল থেকে দূর ছিল না।

এরপর থেকে তিনি ও তার উত্তরসূরিরা ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকায় বহু দেশ দখল করেন। এই সাম্রাজ্যের আওতায় ছিল আজকের তুরস্ক, হাঙ্গেরি, সার্বিয়া, বুলগেরিয়া, গ্রিস, আলবেনিয়া, মিশর, মেসিডোনিয়া, রোমানিয়া, জর্ডান, ফিলিস্তিন, লেবানন, সিরিয়া, ইয়েমেন, সৌদি আরবের কিছু অংশ এবং উত্তর আফ্রিকার উপকূলের বড় একটি অংশ।

পরবর্তী ছয়শ’ বছর অটোমান সাম্রাজ্য টিকে ছিল। এই সাম্রাজ্য তাদের সেরা সময় কাটিয়েছে সুলতান সুলেমান দ্য ম্যাগনিফিসেন্ট-এর আমলে।

পতনের পেছনে কী কারণ ছিল?

ইতিহাসবিদরা লিখেছেন, ষোল শতক থেকেই অটোমান সাম্রাজ্যের জৌলুশ কমতে শুরু করে।

তারা ১৬৮৩ সালে দ্বিতীয় দফা ভিয়েনা দখল করতে গিয়ে পরাজিত হলে সাম্রাজ্যের ক্ষমতার পতন শুরু হয়।

এছাড়া আঠারো শতকে প্রতিদ্বন্দ্বী রাশিয়া এবং হ্যাপসবার্গ সাম্রাজ্যের তুলনায় তাদের সামরিক শক্তি কমে যায়। আর সেটার সমাপ্তি করে দেয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।

অটোমান সাম্রাজ্যের আয়ের বড় একটি উৎস ছিল ভারত ও পূর্ব এশিয়া থেকে আসা মসলা ও সিল্ক বাণিজ্যের ওপর আরোপ করা কর।

কিন্তু ষোল শতকে যখন নিউওয়ার্ল্ড বা নতুন নতুন দেশ আবিষ্কার এবং ভারত-চীনের বাণিজ্যের নতুন নৌ পথ আবিষ্কার হয় অটোমানদের এলাকার ওপর নির্ভরশীলতা কমে যায়। সেই সঙ্গে পর্তুগাল, স্পেন, ব্রিটেন নৌ-শক্তিতে আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

বেশ কয়েকটি যুদ্ধে অনেকগুলো এলাকা তাদের হাত ছাড়া হয়ে যায়। ইউরোপের বুলগেরিয়া, রোমানিয়া, মলদোভা, সার্বিয়া, মন্টেনিগ্রো অটোমান শাসন থেকে বেরিয়ে স্বাধীন হয়ে যায়। বেশ কিছু এলাকা রাশিয়ার কাছে হারায় অটোমানরা। অদক্ষ সুলতানদের ক্ষমতায় আসা, জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করা, কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ কমে যাওয়ায় সুলতানের ক্ষমতা কমতে থাকে।

আঠারো শতকে অটোমান শাসনের বিরুদ্ধে একাধিক দেশে বিদ্রোহ শুরু হয়। আর্মেনিয়া, গ্রিস, মিশর, আরব এলাকায় যুদ্ধ শুরু হয়। আর্মেনিয়া ও গ্রিসে গণহত্যা চালানোর অভিযোগ তৈরি হয় অটোমানদের বিরুদ্ধে।

ইতিহাসবিদরা উল্লেখ করেছেন, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজয় ও তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশে জাতীয়তাবাদের উত্থান অটোমান সাম্রাজ্যের পরাজয়ের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে।

প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মাইকেল এ রেনল্ড ও সেন্ট অ্যান্টনি কলেজের অধ্যাপক ইউজেন রোমানের মতে, অতিরিক্ত কৃষি নির্ভরতা, বহু জাতি-গোত্রের শাসন এলাকা, অশিক্ষা, অন্যান্য দেশের ষড়যন্ত্র পরাজয়ের বড় কারণ ছিল। বলকান দেশগুলোর বিদ্রোহে সহায়তা করে রাশিয়া ও অস্ট্রিয়া। সেই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্য আর উত্তর এলাকায় অটোমান এলাকার দখলে কাজ করেছে ব্রিটেন ও ফ্রান্স।

যেভাবে বিলুপ্ত হয়েছিল অটোমান সাম্রাজ্য

ইতিহাসে অটোমান সাম্রাজ্য বিলুপ্তির পেছনে তুরস্কের জাতীয়তাবাদী নেতা কামাল আতাতুর্ক-এর নাম হয়তো বড় করে আসবে। কিন্তু প্রবল পরাক্রমশালী এই সাম্রাজ্যের পতনের পেছনে ইয়াং টার্কদের ভূমিকা আর প্রথম মহাযুদ্ধের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।

পশ্চিমা দেশগুলোয় পড়াশোনা করে আসা তুরস্কের তরুণরা চাইছিলেন তুরস্কে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি করতে। ইউরোপীয় অনেক দেশের মতো সুলতানের পদ হবে সাংবিধানিক, দেশ শাসন করা হবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতি।

তরুণ তুর্কি আন্দোলন ১৯০৮ সাল সাংবিধানিক রাজতন্ত্র মেনে নিতে সুলতানকে বাধ্য করে। তখন চেম্বার অব ডেপুটি’জ গঠন করা হয়, যারা ভোটে নির্বাচিত হতেন।

কিন্তু তুরস্কের সালতানাতের বিদায়ের বড় ভূমিকা রাখে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুরস্ক জার্মানির সঙ্গে যোগ দেয়। ওই যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ ভূমিকা রাখে তুরস্ক। কিন্তু মহাযুদ্ধে পরাজয়ের পর বেশ কিছু অপমানজনক শর্ত মেনে নিতে হয় তুরস্ককে।

‘দ্য অটোমান পিপল অ্যান্ড দ্য এন্ড অব এমপায়ার’ বইয়ে জাস্টিন ম্যাককার্থি উল্লেখ করেছেন, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর তাতে অংশ নেওয়ার চড়া মূল্য দিতে হয় তুরস্ককে।

ট্রিটি অব সেভরেস অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্য ভাগ হয়ে যায় ব্রিটেন আর ফ্রান্সে মধ্যে। ভূমধ্যসাগর উপকূল চলে যায় ইতালির হাতে, এজিয়ান সাগরের উপকূল যায় গ্রিসের দখলে, টার্কিশ প্রণালী দেওয়া হয় আন্তর্জাতিক শক্তির হাতে। সেই সঙ্গে আর্মেনিয়ার বড় একটি অংশ স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃত পায়।

তুরস্কের জন্য অবমাননাকর এই চুক্তির কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে তরুণ তুর্কিরা। তারা বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ করতে শুরু করে।

সেই বিদ্রোহ দমনে তুর্কি জেনারেল মুস্তাফা কামালকে আনাতোলিয়ায় পাঠান সুলতান ষষ্ঠ মেহমেদ।

কিন্তু সেখানে গিয়ে মুস্তাফা কামাল বরং জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের একজন নেতা হয়ে ওঠেন।

তুরস্কের স্বাধীনতা

আনাতোলিয়া নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্য যখন গ্রিস বিশেষ একটি বাহিনী পাঠায়, তখন ১৯১৯ সালের মে মাসে শুরু হয় তুরস্কের স্বাধীনতার লড়াই।

জনগণের সমন্বয়ে তারা একটি বাহিনী তৈরি করে, যারা এক সাথে গ্রিস, আর্মেনিয়া, ফ্রান্স আর ব্রিটেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে শুরু করে। যৌথ বাহিনীর প্রতিপক্ষ হিসেবে তুরস্কের জাতীয়তাবাদীদের অর্থ ও সামরিক সহায়তা দেয় রাশিয়া।

জাতীয়তাবাদীরা আঙ্কারায় গ্র্যান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি নামে পাল্টা সরকার তৈরি করে।

জাতীয়তাবাদী বাহিনী গ্রিক, ফরাসিদের তুরস্ক থেকে বিতাড়িত করে। কিন্তু ব্রিটিশরা তখনও ইস্তানবুলের দখল ধরে রেখেছিল।

চেম্বার অব ডেপুটি’র সদস্যরা ১৯২০ সালের ২৮ জানুয়ারি গোপন সভায় মিলিত হয়। তারা ন্যাশনাল প্যাক্ট নামে এক সিদ্ধান্তে মুস্তাফা কামালকে চেম্বারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু সভা শেষ হওয়ার আগেই ব্রিটিশরা তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এরপর ইস্তাম্বুলে দমন পীড়ন অভিযান শুরু করে ব্রিটিশ বাহিনী।

তাদের পরামর্শে সুলতান ষষ্ঠ মেহমেদ পার্লামেন্ট ভেঙে দেন। ফলে আবার তিনি একক ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠেন। এবার তার ক্ষমতার নেপথ্য শক্তি ছিল ব্রিটিশ বাহিনী। কিন্তু আবার সর্বময় সুলতান হয়ে উঠলেও এবার তার ক্ষমতা ছিল শুধুমাত্র ইস্তাম্বুল কেন্দ্রিক। তুরস্কের বাকি অংশ ছিল জাতীয়তাবাদীদের দখলে।

আতাতুর্কের জিহাদ

যখন জাতীয়তাবাদীদের বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ নিতে শুরু করেন সুলতান, তখন পাল্টা ব্যবস্থা নেন মুস্তাফা কামাল, যিনি পরবর্তীতে আতাতুর্ক নামে পরিচিতি লাভ করেন।

তিনি তুরস্কের সব গভর্নর ও সামরিক বাহিনী কমান্ডারদের কাছে চিঠি পাঠান যেন গ্র্যান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির জন্য প্রতিনিধি নির্বাচন করে পাঠানো হয়। তিনি ইসলামিক বোর্ডের কাছে চিঠি লিখে জানান, তিনি সুলতানের জন্যই লড়াই করছেন, যিনি ইসলামের বর্তমান খলিফা। তিনি যৌথ বাহিনীর কাছ থেকে খলিফাকে উদ্ধার করে আনতে চান।

তিনি ‘ধর্ম যুদ্ধে’ নামার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

১৯২০ সালের ২৩ এপ্রিল অ্যাসেম্বলির সভায় মুস্তাফা কামাল আতাতুর্ককে স্পিকার ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করা হয়।

‘ওসমান’স ড্রিম’ বইয়ে ক্যারোলিন ফিঙ্কেল লিখেছেন, ব্রিটিশদের সঙ্গে কয়েক দফা যুদ্ধের পর অবশেষে ১৯২২ সালের ১১ অক্টোবর আর্মিসটিস অব মুদানয়া স্বাক্ষরিত হয়, যেখানে তুরস্কের স্বাধীনতা মেনে নেওয়া হয়।

এরপরই গ্র্যান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির সামনে সালতানাত বাতিলের প্রস্তাব তুলে ধরেন মুস্তাফা কামাল আতাতুর্ক। সেখানে বলা হয়, যেহেতু তিনি খলিফা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন, তাই খলিফার পদটি থাকবে, তবে কে খলিফা হবে, তা পার্লামেন্ট ঠিক করবে।

খিলাফতের বিলুপ্তি

১ নভেম্বর অটোমান সালতানাত বিলুপ্তির পক্ষে ভোট দেয় তুরস্কের পার্লামেন্ট। এর ১৭ দিন পর সুলতান মেহমেদ একটি ব্রিটিশ জাহাজে করে মাল্টার উদ্দেশ্যে চলে যান। খলিফা হিসেবে তার স্থলাভিষিক্ত হন রাজপরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্য ও সাবেক সুলতানের কাজিন আবদুল মেসিদ।

তবে আরও একবছর ইস্তাম্বুল যৌথ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকে। ট্রিটি অব লুসানের পর ১৯২৩ সালের দোসরা অক্টোবর যৌথ বাহিনী ইস্তানবুল ছেড়ে চলে যায়।

দুই বছর পরে অটোমান খেলাফতও বিলুপ্ত করা হয়। সেই সময় ওসমানী রাজপরিবারের প্রায় ১২০ জন সদস্যের সবাইকে তুরস্ক থেকে বহিষ্কার করা হয়। সূত্র: বিবিসি বাংলা

শনিবার, ৭ মে ২০২২, ১৭:৪৭

মুহাম্মদ (সা.) এর পোশাক দেখতে ইস্তাম্বুলে হাজারো মানুষের ঢল

মুহাম্মদ (সা.) এর পোশাক দেখতে ইস্তাম্বুলে হাজারো মানুষের ঢল

হযরত মুহম্মদ (সা.) ওফাত নেওয়ার আগেই সাহাবীদের জানিয়ে গিয়েছিলেন তার পরিধানের জুব্বাটি পাবেন ইয়েমেননিবাসী হযরত ওয়াইস করনী (রহ.)।

হযরত ওমর (রা.) খলিফা হওয়ার পর হযরত আলীকে (রা.) নিয়ে কুফা নগরীতে যান। দরবেশ ওয়াইস করনিকে খুঁজে বের করে মহানবীর পবিত্র জামাটি তাঁর কাছে হস্তান্তর করেন।

ওয়াইস করনির বংশধররা অষ্টম শতাব্দী পর্যন্ত ইরাকে বসবাস করতেন। পরম যত্মে তারা মহানবীর জুব্বা সংরক্ষণ করেন। এক সময় করনি পরিবার ইরাক থেকে পশ্চিম তুরস্কে চলে যেতে বাধ্য হন। কুসাদাসির এজিয়ান শহরে বসতি স্থাপন করেন। ১৬১১ সাল পর্যন্ত তারা সেখানে ছিলেন। টিআরটি ওয়ার্ল্ড

১৬১১ সালে উসমানীয় সুলতান এবং খলিফা আহমেদ জানতে পারেন নবীজীর (সা.) পোশাকটির কথা। প্রথমে তিনি জুব্বাটি নিজের কাছে রাখার সিদ্ধান্ত নেন। পরে আলেমদের পরামর্শে সিদ্ধান্ত বদলান। তখন তিনি  ওয়াইস করনির বংশধরদের ইস্তাম্বুলে বসবাসের আমন্ত্রণ জানান।

সে সময় প্রতি বছর রমজান মাসে জনসাধারণকে নবীজীর (সা.) জুব্বা  দেখার সুযোগ দেওয়া হতো। দর্শকের সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকায় সুলতান আব্দুল মেসিদের নির্দেশে  হিরকা-ই শরীফ মসজিদের পরিসর বাড়ানো হয়। ১৮৫১ সাল থেকে মহানবীর (সা.) জুব্বাটি সেখানে সংরক্ষিত রয়েছে।

ডেইলি সাবাহ জানায়, করোনার কারণে গত দুই বছর জুব্বা প্রদর্শন বন্ধ ছিলো। এ বছর আবারও তা চালু করা হয়েছে। প্রদর্শনী চলবে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত।

রোববার, ২৪ এপ্রিল ২০২২, ০১:৩৮

ফোর্বসের তালিকায় শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক

ফোর্বসের তালিকায় শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক

জেফ বেজোসকে টপকে বিশ্বে ধনীদের শীর্ষে স্থান করে নিয়েছেন ইলন মাস্ক। এর আগে টানা চার বছর তালিকায় সবার ওপরে ছিলেন বহুজাতিক ই-কর্মাস প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা বেজোস। প্রখ্যাত সাময়িকী ফোর্বসের সর্বশেষ হিসাবে এ তথ্য উঠে এসেছে।

এখন ইলন মাস্ক ২১৯ বিলিয়ন ডলারের সম্পদের মালিক। বেজোসের মোট সম্পদের মূল্য ১৭১ বিলিয়ন ডলার। তবে ধনীদের তালিকায় শীর্ষ স্থানে চলে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই ইলন মাস্কের ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার শেয়ারের দাম এক লাফে ৩৩ শতাংশ বেড়ে গেছে। ফলে এক দিনেই তার সম্পদ আরও খানিকটা বেড়েছে।

শীর্ষ ধনীদের তালিকা ইলন মাস্কের জন্য আরও সম্পদের দুয়ার খুলে দিলেও দুঃসংবাদ শুনতে হয়েছে বেজোসকে। টেসলার শেয়ারমূল্য ধুম করে বেড়ে গেলেও অ্যামাজনের শেয়ারমূল্য পড়ে গেছে ৩ শতাংশ। তবে গত বছর বেজোস দাতব্য কাজে অনুদান বাড়িয়েছেন।

এবার দুই হাজার ৬৬৮ ধনকুবেরকে তালিকায় স্থান দিয়েছে ফোর্বস। তবে তাদের মোট সম্পদের পরিমাণ গত বছরের তুলনায় কমেছে। এ বছরে এসে ধনীদের মোট সম্পদ ১২ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত বছর ছিল ১৩ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলার। মহামারি, যুদ্ধ ও বিশ্ব বাজারের অস্থিতিশীলতাকে সম্পদ বৃদ্ধিতে ভাটার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বছর প্রায় ২৩৬ জন নতুন ধনী তালিকায় প্রথমবারের মতো স্থান পেয়েছেন। তাদের মধ্যে পপস্টার রিহান্না রয়েছেন। প্রথমবারের মতো বার্বাডোজ, বুলগেরিয়া ও উরুগুয়ের ধনকুবেররা ফোর্বসের শীর্ষ ধনীর তালিকায় স্থান পেয়েছেন।

এবার ৩৬তম বারের মতো শীর্ষ ধনীদের তালিকা প্রকাশ করল ফোর্বস।

অন্তত এক বিলিয়ন ডলারের মালিকদের নিয়ে শীর্ষ ধনীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে দুঃখজনক হলো দুই হাজার ৬৬৮ জনের মধ্যে মাত্র ৩২৭ জন নারী। তাদের মোট সম্পদের পরিমাণ এক দশমিক ৫৬ ট্রিলিয়ন ডলার।

বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল ২০২২, ০২:৪৯

আইবি টিভি সংবাদ পরিক্রমা

আইবি টিভি সংবাদ পরিক্রমা

গ্যাসের দাম উর্ধ্বমূখী হওয়ায় মজুদ থেকে রেকর্ড পরিমাণ তেল বাজারে ছাড়ার কথা ভাবছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বৃহস্পতিবার এই পরিকল্পনার বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, আগামী মাসগুলোর জন্য কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ থেকে প্রতিদিন প্রায় এক মিলিয়ন ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে হোয়াইট হাউজের এই ব্রিফিংয়ে জো বাইডেন নিজেই জানিয়েছেন, যুদ্ধকালীন ১৮০ মিলিয়ন ব্যারেল মজুদ থেকে ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার প্রশাসনের। অবশ্য চলতি মাসের শুরুর দিকেই প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এক ঘোষণায় মজুদ থেকে তেল বাজারে ছাড়ার কথা জানিয়েছিলেন। গত নভেম্বরেও প্রায় ৬০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়া হয়েছিলো। যা ছিলো অ্যামেরিকার ইতিহাসে মজুদ থেকে সবচেয়ে বড় তেল ছাড়ার ঘটনা।

শনিবার, ২ এপ্রিল ২০২২, ০৩:২১

খাবার খেয়ে মাসে আয় ৮ কোটি

খাবার খেয়ে মাসে আয় ৮ কোটি

খাবার খাবেন আবার সেটির জন্য টাকাও পাবেন এমনটা শুনলে যে কেউ বিশ্বাস করতে চাইবেন না। তবে ব্যাপারটা অবাক হওয়ার মতোই যে খাবার খেয়েও টাকা উপার্জন করছে মানুষ। ক্যামেরার সামনে বসে একের পর এক খাবার খেয়েই যাচ্ছেন। কেউ খাচ্ছেন পরিবারের সঙ্গে, কেউ বা একা। বাড়ির খাবার থেকে শুরু করে কোনো দিনের মেন্যুতে থাকে ডেজার্ট কিংবা রংবেরঙের খাবার। বর্তমানে ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফরম ইউটিউবে এমন ভিডিও বেশ জনপ্রিয়। এমনই একজন কানাডার অন্টারিওর বাসিন্দা ২৭ বছর বয়সি নাওমি ম্যাকরে। এ তরুণী ক্যামেরার সামনে খাবার খেয়েই মাসে আয় করেন প্রায় ৮ কোটি টাকা।

ইউটিউবের দর্শক অবশ্য নাওমিকে চেনে হুনিবি নামে। নিজের ইউটিউব চ্যানেলের জন্য ক্যামেরার সামনে নাওমি যা খান তাও কিন্তু স্পেশাল। নাওমি মূলত বিভিন্ন সাইজের চকলেট খান। কোনটা দেখতে মাছের মতো, কোনোটা যেন হেয়ারব্রাশ। সঙ্গে পানীয় হিসাবে শ্যাম্পেনের বোতল থাকে। আর সেসব খাবার হয় চটকদার লাল-নীল-সবুজ রঙের। নাওমির চ্যানেলে বর্তমানে সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা সাড়ে ৭০ লাখেরও বেশি। আর মাসে আয় প্রায় ৮ কোটি টাকা। ২০১৯ সালের এপ্রিলে তিনি ইউটিউব চ্যানেলটি খোলেন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ মার্চ ২০২২, ০৩:১০

বাংলাদেশিদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ চাক শুমার

বাংলাদেশিদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ চাক শুমার

মার্কিন সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা সিনেটর চাক শুমার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশিরা কঠোর পরিশ্রমী। তাই বাংলাদেশি সমাজের মানুষদের তিনি খুব ভালবাসেন। উডসাইডের গুলশান ট্যারেস পার্টি হলে জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন (হারুন-ফাহাদ) আয়োজিত অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন তিনি।

শনিবার, ১২ মার্চ ২০২২, ০৬:২৮

নারী দিবসের রং কেন বেগুনি?

নারী দিবসের রং কেন বেগুনি?

আন্তর্জাতিক নারী দিবস ৮ মার্চ। আর এই বিশেষ দিনটির সঙ্গে লুকিয়ে আছে বেগুনি রং। তবে নারী দিবসের রং বেগুনি কেন বা কােথা থেকে এই রং প্রতীক হিসেবে নির্ধারিত হলো তার পেছনে অনেক জানা-অজানা কথা রয়েছে।

২০১৮ সাল থেকে নারী দিবসের থিম কালার হিসেবে স্থান করে নিয়েছে বেগুনি।

মঙ্গলবার, ৮ মার্চ ২০২২, ০৩:০৭

হকিংয়ের ব্যক্তিগত ব্ল্যাকবোর্ড দেখার সুযোগ

হকিংয়ের ব্যক্তিগত ব্ল্যাকবোর্ড দেখার সুযোগ

ইংল্যান্ডের সায়েন্স মিউজিয়াম অব লন্ডনে দেখতে পাওয়া যাবে তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী, গণিতবিদ, বিশ্ব তাত্ত্বিক ও বিজ্ঞান-বিষয়ক জনপ্রিয় ধারার লেখক স্টিফেন হকিংয়ের ব্যক্তিগত রহস্যময় ব্ল্যাকবোর্ড।

বৃহস্পতিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৩:২৪

‘ঝামেলা’ কেনাবেচা করে সায়েমের মাসে আয় লাখ টাকা

‘ঝামেলা’ কেনাবেচা করে সায়েমের মাসে আয় লাখ টাকা

মানুষ স্বভাবতই ঝামেলা এড়িয়ে চলতে পছন্দ করেন। তবে এমন একজন আছেন যিনি ঝামেলা কেনাবেচা করেন। শুধু তাই নয়, এর মাধ্যমে তিনি প্রতি মাসে আয় করেন প্রায় লাখ টাকা। ২১ বছর ধরে তিনি এ কাজ করে সংসার চালাচ্ছেন, দিন কাটাচ্ছেন সুখে।

অবাক হওয়ার মতো বিষয় হলেও ‘মেসার্স ঝামেলা কিনি’ নামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আছে ময়মনসিংহ শহরে। যার মালিক সায়েম আহমেদ। যেখানে পুরাতন ফার্নিচার, টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটারসহ ঘরের আসবাবপত্র কেনাবেচা হয়।

অনেক জায়গাতেই পুরাতন আসবাবপত্র হরহামেশা কেনাবেচা হলেও সায়েম আহমেদ তার প্রতিষ্ঠানের নাম কেন ‘ঝামেলা কিনি’ রাখলেন সেই উত্তর জানা গেল তার মুখেই।

ঢাকা পোস্টকে তিনি বলেন, আমি আমার প্রতিষ্ঠানের নামের বিষয়ে দুই থেকে তিন মাস চিন্তা-ভাবনা করি। এক সময় মনে হলো যখন বাসার জন্য নতুন কোনো আসবাবপত্র কেনা হয় তখন পুরোনো আসবাবপত্র বাসার জন্য ঝামেলা হয়ে দাঁড়ায়। আর এগুলো মানুষের কাছে যেহেতু ঝামেলা মনে হয় এবং সেগুলো আমি কিনব। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম প্রতিষ্ঠানের নাম দেবো ‘মেসার্স ঝামেলা কিনি’। এরপর এই নামেই প্রচারণা শুরু করি এবং বিভিন্ন স্থান থেকে পুরোনো আসবাবপত্র কিনে সেগুলোকে মেরামতের মাধ্যমে ব্যবহার উপযোগী করে পুনরায় বিক্রি করি।

ডিগ্রি প্রথম বর্ষে থাকা অবস্থায় সায়েম আহমেদ তার বাবাকে হারান। এরপর অভাব অনটনের সংসারে আর পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়ে ওঠেনি। এক পর্যায়ে ২০০০ সালে বলাশপুর মরাখলা এলাকার বাকৃবি সড়কে স্বল্প পুঁজি নিয়ে এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেন। সততা আর আস্থা বজায় রাখায় এতদিনে বেশ সুনাম কুঁড়িয়েছেন তিনি।


সায়েম বলেন, বাবা মারা যাওয়ার পর পড়াশোনা বন্ধ করে দিয়ে একটি ব্যবসা করার জন্য মনস্থির করি। কিন্তু আমার কাছে তেমন টাকা-পয়সা ছিল না। ভাবতে থাকলাম কী করা যায়। তখন দেখলাম অনেক মানুষ ফার্নিচার পরিবর্তন করে। সেক্ষেত্রে আমি এই সুযোগটা নেওয়ার চেষ্টা করলাম এবং কম পয়সায় সেগুলো কিনে তা মেরামত করে একটু বেশি দামে বিক্রির চিন্তা করি। তারপর এটি শুরু করে প্রচার-প্রচারণা চালানোর পর আমি ভালো সাড়া পাই। আস্তে আস্তে এর মাধ্যমে লাভবান হতে শুরু করি এবং আল্লাহর রহমতে পরিবারে সচ্ছতা ফিরে আসে।

    শুরুতে তিনি একা কাজ করলেও ব্যবসার প্রসার ঘটার সঙ্গে সঙ্গে বাড়িয়েছেন কর্মচারীও। বর্তমানে তার দোকানে নিয়মিত ৭-৮ কর্মচারী কাজ করেন। তাদের সর্বনিম্ন মাসিক বেতন ১০ হাজার টাকা। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে দৈনিক সায়েম অন্তত ৩০ হাজার টাকার মালামাল বিক্রি করেন। আর প্রতি মাসে তার আয় হয় প্রায় এক লাখ টাকা।

ঝামেলা কিনি নাম দিয়ে সায়েম আহমেদেরও যে ঝামেলা পোহাতে হয়নি তা কিন্তু নয়। প্রতিষ্ঠানের এমন নামের ভিন্নতার ফলে শুরুতে তৎকালীন পৌরসভা থেকে প্রতিষ্ঠানটির ট্রেড লাইসেন্স পেতে বেশ বেগ পেতে হয় তাকে।

সায়েম আহমেদ বলেন, এই নামটি দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স করতে পারছিলাম না। তবে আমি যেহেতু অনেক প্রশাসনিক ব্যক্তিদের বাসার পুরাতন আসবাবপত্র কিনতাম সেই সুবাদে তাদের সুপারিশে ট্রেড লাইসেন্সটি এই নামেই পেয়ে যাই। এরপর আর থেমে থাকতে হয়নি। প্রতিষ্ঠানটি ২১ বছর ধরে সগৌরবে চলছে।

শুক্রবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৩:০৪

‘প্রতিবেশীর স্ত্রীর দিকে নজর দিও না’

‘প্রতিবেশীর স্ত্রীর দিকে নজর দিও না’

গত রবিবার নিজেদের সবশেষ ম্যাচে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ৪-২ ব্যবধানে জয় পায় বার্সেলোনা। দলের জয়ে জোড়া গোল করে অবদান রাখেন দানি আলভেজ। পাশাপাশি সতীর্থকে দিয়ে গোল করাতে অবদান রাখেন ৩৮ বছর বয়সী ব্রাজিলিয়ান তারকা আলভেজ। কিন্তু ম্যাচে লাল কার্ডও দেখেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৩:২১

রাসুল (সা.)-এর জীবনী পাঠ করার প্রয়োজনীয়তা

রাসুল (সা.)-এর জীবনী পাঠ করার প্রয়োজনীয়তা

পৃথিবীর ইতিহাস যাকে নিয়ে গর্ব করে। যার আদর্শে মানুষ খুঁজে পায় সঠিক পথের দিশা। হাজার বছর ধরে কোটি কোটি মানুষ যাকে অনুসরণ করে আসছে নির্দ্বিধায়। তিনি আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
ইতিহাসের পাতায় খোঁজ করলে এমন অনেক বিস্ময়কর মনীষার উদাহরণ পাওয়া যায়, যাদের চিন্তা-চেতনা সারা পৃথিবীতে বিস্তার লাভ করেছে। এমনকি যাদেরকে তাদের স্বতন্ত্র আদর্শ ও কৃতিত্বের কারণে মানুষ আজো শ্রদ্ধা ও ভক্তির সঙ্গে স্মরণ করে থাকে। এসব মহামানবদের কারো কারো জ্ঞান ও প্রতিভা সরাসরি ‘ওহিয়ে এলাহী’ থেকে আহরিত ও উৎসারিত আর কারো গ্রহণযোগ্যতা ও প্রতিভা তার নিজস্ব চিন্তা, দর্শন এবং রুচি ও হিকমতের ফসল।

শুক্রবার, ২১ জানুয়ারি ২০২২, ০২:৩৫

১০৫৫ অক্ষরের লম্বা নাম!

১০৫৫ অক্ষরের লম্বা নাম!

যুক্তরাষ্ট্রে ১ হাজার ৫৫টি অক্ষরের অভিনব নামে বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন মার্কিন কিশোরী। উক্ত কিশোরীর মা নিজের মেয়ের জন্য দীর্ঘ এক নাম রেখেছেন। যার প্রথম নামেই রয়েছে ১০১৯ আর মধ্য নামে ৩৬টি অক্ষর। তার বর্তমান জন্ম সনদটির দৈর্ঘ প্রায় দুই ফুট। সম্প্রতি এক টিভি শোতে এমনটিই জানালেন তিনি।

সান্ড্রা উইলিয়ামস নামের ওই নারী বলেন, যখন তার একটি কন্যাসন্তান জন্মলাভ করল, তখন তিনি চাইলেন তার জন্য একটি অভিনব নাম হবে। সেটি ভেবেই মেয়ের নাম লম্বা করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

সান্ড্রা উইলিয়ামসের মেয়ে ১৯৮৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তখন তার স্বামী তাদের সন্তানের জন্মসনদে এই নাম- ‘Rhoshandiatellyneshiaunneveshenk Koyaanisquatsiuth Williams’ লিপিবদ্ধ করেন।

কিন্তু মেয়ের জন্মের তিন সপ্তাহ পর ওই নারী দেখলেন, এ নাম তো যথেষ্ট লম্বা নয়। এরপরই তিনি মেয়ের নামে এক হাজারেরও বেশি অক্ষর ব্যবহার করেন এবং ফের মেয়ের জন্মসনদ নবায়ন করেন। সনদটির বর্তমান দৈর্ঘ প্রায় দুই ফুট।
ওই নারী তার মেয়ের একটি মধ্যম আকারের নামও রেখেছেন, সেখানেও অন্তত ৩৬টি শব্দ রয়েছে। তবে পরিবারের লোকজন মেয়েটিকে সংক্ষিপ্ত ‘জিমি’ নামে সম্বোধন করেন। তার পুরো নাম উচ্চারণ করা খুবই কষ্টসাধ্য। নামটি একরকম :

Rhoshandiatellyneshiaunneveshenkescianneshaimondrischlyndasaccarnaerenquellenendrasamecashaunettethalemeicoleshiwhalhinive’onchellecaundenesheaalausondrilynnejeanetrimyranaekuesaundrilynnezekeriakenvaunetradevonneyavondalatarneskcaevontaepreonkeinesceellaviavelzadawnefriendsettajessicannelesciajoyvaelloydietteyvettesparklenesceaundrieaquenttaekatilyaevea’shauwneoraliaevaekizzieshiyjuanewandalecciannereneitheliapreciousnesceverroneccaloveliatyronevekacarrionnehenriettaescecleonpatrarutheliacharsalynnmeokcamonaeloiesalynnecsiannemerciadellesciaustillaparissalondonveshadenequamonecaalexetiozetiaquaniaenglaundneshiafrancethosharomeshaunnehawaineakowethauandavernellchishankcarlinaaddoneillesciachristondrafawndrealaotrelleoctavionnemiariasarahtashabnequckagailenaxeteshiataharadaponsadeloriakoentescacraigneckadellanierstellavonnemyiatangoneshiadianacorvettinagodtawndrashirlenescekilokoneyasharrontannamyantoniaaquinettesequioadaurilessiaquatandamerceddiamaebellecescajamesauwnneltomecapolotyoajohnyaetheodoradilcyana.


সান্ড্রা উইলিয়ামস জানান, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড ভাঙতেই তিনি মেয়ের এত বড় নাম দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে তিনি তার মেয়ের নাম আর দশটা মেয়ের নামের মতো হোক তা চাননি।

তিনি জানালেন, তার মেয়ের নাম বেশ আলাদা, যেটা গিনেস বুক অব রেকর্ডে স্থান করে নিয়েছে। নামটিতে সর্বমোট ১০১৯টি অক্ষর রয়েছে।

এর আগে বিশ্বের সবচেয়ে বড় নাম ছিল ৭৪৭ অক্ষরের, যা ১৯১৪ সালে রেকর্ড করা হয়েছিল। হোবার্ট বালিন নামের এক ব্যক্তি তার বিস্তারিত নামে ৭৪৭টি অক্ষর ব্যবহার করেছিলেন। হোবার্ট বালিন ১৯৯৭ সালে ৮৩ সালে মারা যান।

মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:৫৪

আংটি বদল করলেন দুই বাঙালি নারী ডাক্তার, পরিবারও রাজি!

আংটি বদল করলেন দুই বাঙালি নারী ডাক্তার, পরিবারও রাজি!

সারাজীবন একে অপরের সঙ্গে থাকবেন। এমনই প্রতিজ্ঞা করে গত সপ্তাহে নাগপুরে ‘প্রতিজ্ঞার আংটি বদল’ অনুষ্ঠান সারলেন দুই বাঙালি মহিলা চিকিৎসক- পারমিতা মুখোপাধ্যায় এবং সুরভি মিত্র।

রোববার, ৯ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:০১

১৪ মাইল দীর্ঘ লাইনের ঘোষণা গভর্নরের
ট্রেন টু ব্রুকলিন-জ্যাকসন হাইটস

১৪ মাইল দীর্ঘ লাইনের ঘোষণা গভর্নরের

চালু হচ্ছে সরাসরি ব্রুকলিন টু জ্যাকসন হাইটস ট্রেন লাইন। গত বুধবার ব্রুকলিনের বেরিজ থেকে সরাসরি কুইন্সের জ্যাকসন হাইটস পর্যন্ত ১৪ মাইল দীর্ঘ ট্রেন লাইন চালুর ঘোষণা দিয়েছেন নিউইয়র্ক স্টেট গর্ভনর ক্যাথি হোকল। এ জন্য তিনি পরিবেশ, অর্থনৈতিক ও রুট নির্ধারণে মেট্রোপলিটন ট্রানজিট অথরিটিকে (এমটিএ) তাৎক্ষণিক নির্দেশ প্রদান করেছেন। এ রুট চালু হলে ব্রুকলিন ও কুইন্সের হাজার হাজার বাসিন্দাকে ম্যানহাটান পাড়ি দিয়ে এক বরো থেকে অন্য বরোতে যেতে হবে না। প্রতিদিন কুইন্স থেকে হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীকে ব্রুকলিন টেক, ব্রুকলিন কলেজ, সিটি টেক ও এনওয়াইইউ ব্রুকলিন ক্যাম্পাসে যেতে হয়। এতে তাদের ঘন্টার পর ঘন্টা অপচয় হয়। ম্যানহাটান হয়ে যেতে লাগে প্রায় দেড় থেকে ২ ঘন্টা। অন্যদিকে ব্রুকলিন থেকে কুইন্সে আসতেও হয়রানির শেষ নেই। দীর্ঘদিন ধরেই ইন্টার বরো রেললাইন সংযোগের এই দাবি ছিল বাসিন্দাদের। এই ট্রেন লাইনের সাথে সংযোজিত থাকবে মালামাল বহনের গাড়িও।

শনিবার, ৮ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:০৭

সুন্দরের প্রত্যাশায় স্বাগত ২০২২
বিশেষ সম্পাদকীয়

সুন্দরের প্রত্যাশায় স্বাগত ২০২২

মহাকালের যাত্রাপথে মানব জাতি পেরিয়ে এল আরো একটি বছরÑ ২০২১ সাল। আগামীকালের সূর্যোদয় হবে নতুন বছরকে আবাহন জানিয়ে। নতুন বছর, ২০২২ সাল। প্রতি বছরের সূচনাতেই আমাদের প্রত্যাশা থাকে সত্য সুন্দর কল্যাণের। প্রত্যাশা থাকে বিশ্ব জুড়ে স্থায়ী শান্তির। বছর শেষের হিসাব-নিকাশ বলে দেয় সে প্রত্যাশার কতটা পূরণ হয়েছে, কতটা হয়নি। হিসাব হয় সাফল্য-ব্যর্থতার। ২০২১ সাল নিয়েও এখন চলছে সেই হিসাব। এ বছরে মানুষ কি পেল আর কি পেল না।

শনিবার, ১ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:৩৬

গরুর লাইভ ওজন ১৭০ কেজি হলে গোস্ত কতটুকু ?

গরুর লাইভ ওজন ১৭০ কেজি হলে গোস্ত কতটুকু ?

গরু কিনে ফেলার পর অনেকের মনে যে প্রশ্ন উঁকি ঝুঁকি মারে তা হল- কত কেজি মাংস হবে? দাম কত করে পরবে। একটা সহজ সূত্র দিয়ে আপনি আনুমানিক হিসেব কষে বের করে ফেলতে পারেন গরুতে কত কেজি মাংস পাওয়া যেতে পারে।

ধরুন ‍আমার গরু লম্বা ৪৫ইঞ্চি এবং বুকের বেড় ৫০ইঞ্চি তাহলে
গরুর ওজন (মোট)= ৪৫X৫০X৫০/৬৬০ = ১৭০.৪৫ কেজি
মাংস পাব=১৭০X৫০/১০০=৮৫কেজি

সুত্র অনুযায়ী প্রাপ্ত মোট ওজনের ৫০ -৫৫ শতাংশ কেজি মাংস পাওয়া সম্ভব। তবে গাভির ক্ষেত্রে মাংস পাওয়া যাবে দৈহিক ওজনের ৪৫ শতাংশ। এবার সবাই গজ ফিতা নিয়ে হিসাব কসে বের করুন কত কেজি গরুতে কত কেজি মাংস।

 

শুক্রবার, ১৬ জুলাই ২০২১, ০৩:৫৯

পাঁচ ভাইয়ের এক বউ!

পাঁচ ভাইয়ের এক বউ!

হিমালয়ের কোলঘেঁষে নেপালের প্রত্যন্ত গ্রামে সংসার গড়ে তুলেছেন রজ্জো ভার্মার মতো হাজার নারী। দুই পুত্র সন্তান রয়েছে তার। কিন্তু তাতেও সাধারণ নারীদের চেয়ে একেবারেই ভিন্ন তার সংসার।

রজ্জো ভার্মার দুটি ছেলে ও ৫ জন স্বামী। গ্রামের পুরনো ঐতিহ্য বজায় রেখেছে রজ্জো। স্বামীরা প্রত্যেকেই ভাই। প্রতি রাতে রাজো কার সঙ্গে শোবে, সেটি সম্পূর্ণ রাজো সিদ্ধান্ত। এটাই ওখানকার রীতিনীতি।

আধুনিক মানুষের কাছে অবাক করা বিষয় হলেও সেটাই ওই গ্রামের ঐহিত্য। মাতৃপ্রধান ওই উপজাতিদের মধ্যে একজন নারীই একাধিক পুরুষের পাণিগ্রহণ করেন।

রজ্জো ভার্মার ৫ স্বামীর নাম সন্ত রাম, বাজ্জু, গোপাল, গুড্ডু, দীনেশ। ৫ স্বামী সন্তান নিয়ে সুখে সংসার করছেন রাজো। তাদের মধ্যে কোন অশান্তি নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।  

নেপালের রাজধানী কাটমান্ডু থেকে প্রায় পাঁচশ’ কিলোমিটার দূরের গ্রামটিতে সহজসরল মানুষগুলোকে টিকে থাকতে হয় প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে।

ওই গ্রামে একইভাবে সুখে সংসার করছেন সুনীতা দেবী। তিনি অবশ্য দুই স্বামীর স্ত্রী। তার দুই স্বামীও দুই ভাই। একজন রঞ্জিত সিং অন্যজন চান্দের প্রকাশ।   

সুনীতা জানিয়েছেন, তিনি খুবই ভাগ্যবতী। কারণ দুজন স্বামীর স্ত্রী। তিনি আরও জানিয়েছেন একজন রান্নাতে তাকে সাহায্য করেন এবং অন্যজন বাচ্চা মানুষ করতে।

একইভাবে ওই গ্রামের বুদ্ধি দেবীও বিয়ে করেছিলেন দুই ভাইকে। বুদ্ধি দেবীর বয়স এখন প্রায় ৮০ ছুঁই ছুঁই। তার এক স্বামী মারা গিয়েছেন এবং অন্যজনের সঙ্গে এখন সংসার করছেন তিনি।

গত শতাব্দীর থেকে তাদের এই ঐতিহ্য চলে আসছে বলে জানিয়েছেন বুদ্ধি দেবী।

বুদ্ধি দেবী জানিয়েছেন, তাদের এই ঐতিহ্য গত শতাব্দীর ধরে চলে আসছে। তাদের যে জমি রয়েছে সেই জমি ছেলেদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়। পরবর্তীকালে তারা যখন আবার বিয়ে করেন, তখন সেই জমি তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে দান করে থাকেন। কিন্তু প্রত্যেকের ভাইয়ের যেহেতু একটি মাত্র স্ত্রী হয় তাই আলাদা করে জমি প্রত্যেকের নামে ভাগাভাগি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

বহুস্বামী প্রথাকে সহজ ভাবেই নিয়েছেন সেখানকার মানুষ। এমনকি এই প্রথার কারণে প্রতিকূল পরিবেশে সন্তান পালন এবং  সংসারের কাজকর্ম সহজ হয়ে গেছে বলেও মনে করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই ২০২১, ০৭:১৬

নিউইয়র্কের নতুন নেতৃত্বকে স্বাগত
বিশেষ সম্পাদকীয়

নিউইয়র্কের নতুন নেতৃত্বকে স্বাগত

অভিনন্দন, নিউইয়র্ক সিটির ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারির সম্ভাব্য বিজয়ী প্রার্থীদের। অভিনন্দন সিটি কাউন্সিলে প্রথম পা রাখতে যাওয়া বাংলাদেশি-আমেরিকান প্রার্থী শাহানা হানিফকে। একই সঙ্গে অভিনন্দন সোমা সাঈদকে, কুইন্স কাউন্টি জজ পদে নির্বাচনে জয়লাভ নিশ্চিত করায়।   

শনিবার, ২৬ জুন ২০২১, ০৫:১৭

১২৩ বছর আগে গ্রেপ্তার গাছ, শেকলে বন্দি আজো

১২৩ বছর আগে গ্রেপ্তার গাছ, শেকলে বন্দি আজো

মানুষ যদি কোন অপরাধ করে তবে আইন অনুযায়ী পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করবে এইটা স্বাভাবিক। কিন্তু গাছকে কি গ্রেপ্তার করা যায়! এমন ঘটনা শুনেছেন কখনো!। কিন্তু এমন আজব ঘটনা গত ১২৩ বছর আগে হয়েছে। পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের একটি বট গাছ ১২৩ বছর ধরে গ্রেপ্তার জীবন পার করছে। ১৮৯৮ সালে পাকিস্তানের তোরখান সীমান্ত এলাকার লানদি কোটাল শহরে এ ঘটনা ঘটে। ওই ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তার নাম জেমস স্কুইড নামে এক মাতাল ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তা এই আজব ঘটনা ঘটান।

বৃহস্পতিবার, ১০ জুন ২০২১, ০২:২৭

যে শহরে কেউ ক্ষুধার্ত থাকে না!

যে শহরে কেউ ক্ষুধার্ত থাকে না!

মঙ্গলবার, ১ জুন ২০২১, ০৪:৪০

মানুষের যেহেতু দুটো কান, একটা দিয়ে শুনে আরেকটা দিয়ে বের করে

মানুষের যেহেতু দুটো কান, একটা দিয়ে শুনে আরেকটা দিয়ে বের করে

অসচেতন আমি, অসচেতন শুটিং ব্যবস্থা ও অন্যান্য সকল কিছুর জন্য আসলে আমাদের এখুনি শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন

বুধবার, ৩১ মার্চ ২০২১, ০৩:০২

যে দ্বীপের মানুষেরা মরতেই ভুলে গেছেন!

যে দ্বীপের মানুষেরা মরতেই ভুলে গেছেন!

তুর্কি উপকূল থেকে প্রায় ৩০ মাইল দূরে ভূ-মধ্যসাগরের পূর্ব দিকে গ্রীক দ্বীপ ইকারিয়া। বিশ্বের সবচেয়ে প্রবীণতম মানুষের বাস এই দ্বীপে। মানুষের গড় আয়ু ১০০ বছর। এই দ্বীপের সবাই শতবর্ষী!

গবেষণায় দেখা গেছে, ৬৫-১০০ বছরের ইকারিয়ান পুরুষদের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই যৌন ক্রিয়াকলাপে সক্ষম। হতাশা, স্মৃতিভ্রষ্টতার, ক্যান্সার এবং হৃদরোগের হারও অনেক কম। শতবর্ষী হয়েও এরা যৌনজীবন উপভোগ করেন। ১০০ বছর বয়সী জিরেজিরিস তাসাহাস ৭০ বছর ধরে দৈনিক এক প্যাকেট সিগারেট খান। অ্যাপেডিসাইটিসের সমস্যা বাদে বিগত ১০০ বছরে কঠিন কোন রোগে আক্রান্ত হননি তিনি। তার মত আরও অনেকে রয়েছে ইকারিয়া দ্বীপে।

রোববার, ২১ মার্চ ২০২১, ০৪:২১

অন্যের বউ চুরি করে বিয়ের অদ্ভুত রীতি যেসব দেশে

অন্যের বউ চুরি করে বিয়ের অদ্ভুত রীতি যেসব দেশে

অন্যের স্ত্রীকে চুরি করে পালানো অতপর বিয়ে। এমন সব অদ্ভুত রীতি পালিত হয়েছে আসছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। এমন বিয়ের রীতিকে উৎসব মনে করা হয়। শুধুমাত্র বউ চুরিই নয় অপহরণ এমনকি ধর্ষণের মাধ্যমে বিয়েতে রাজি করানোর মতো নানান প্রথাও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রচলন রয়েছে।

বিশ্বজুড়ে প্রাগৈতিহাসিক সময়কাল থেকেই চলে আসছে ব্রাইড কিডন্যাপিং বা বধূ অপহরণ। বিশেষ করে দক্ষিণপূর্ব এশিয়া, মেক্সিকো, ইউরোপ এবং আমাজন জঙ্গলের উপজাতিদের মধ্যে অতীতকাল থেকেই প্রচলিত ব্রাইড কিডন্যাপিং। বর্তমানে ককেশাস এবং মধ্য এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি দেখা যায় এ ধরনের রীতি।

বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে কনে অপহরণের মাধ্যমে বিবাহের বৈধতা দেওয়া হয়। যা যৌন অপরাধ হিসেবে বিবেচিত। এসব রীতি-নীতি আইনবিরোধী হলেও সামাজিক রীতি হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তা পালিত হয়ে আসছে।

চলুন জেনে নিই কোন দেশে বা অঞ্চলে অদ্ভুতসব বিয়ের প্রচলন রয়েছে:

আফ্রিকার তিনটি দেশে পালিত হয় এমন উৎসব। প্রায়ই কনে অপহরণের নামে সেখানে ঘটে ধর্ষণের মতো ঘটনা। পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজারের এ রীতি মেনে আসছে যুগ যুগ ধরে যাযাবর উপজাতি ওডাবে। প্রতিবছর সেপ্টেম্বর মাসে অন্যের বউকে চুরি করে পালায় সেখানকার পুরুষরা।

টানা ৭ দিন ধরে চলে অন্যের বউকে চুরির উৎসব। যে পুরুষ অন্যের বউকে চুরি করবেন সে উৎসবে যোগ দেন তাদের স্ত্রীরাও। ওই উৎসবে চলে খাওয়া-দাওয়া ও নাচ-গান। যেখানে নিজেদের পছন্দমতো পুরুষ সঙ্গীও বাছাই করে নিতে পারেন নাইজারের নারীরা। নিজেদের শারীরিকভাবে যোগ্য প্রমাণ করতেই এমন উৎসবে অংশ নেয় সেখানকার পুরুষরা।

রুয়ান্ডার বিভিন্ন অঞ্চলেও প্রচলিত নববধূ-অপহরণের ঘটনা। এক্ষেত্রে অপহরণকারীরা তাদের পছন্দসই নারীকে নিজ বাড়ি থেকে বা রাস্তা থেকে কিডন্যাপ করে। জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং পরে ওই নারীকেই বিয়ে করে। অনেক সময় কনের পরিবার ধনী হলে এমন বিয়ে হয় না। আবার কনে গরীব হলে ধর্ষকের সঙ্গেই দেওয়া হয় ওই নারীর বিয়ে।

রুয়ান্ডার প্রচলিত রীতি অনুসারে, অপহরণ হওয়া নারী যদি ধর্ষণের পর গর্ভধারণ করেন সেক্ষেত্রে ওই নারীর কদর আরও বেড়ে যায়। তখন ঘটা করে বিবাহের অনুষ্ঠান করে থাকেন বরের পরিবার। এরপর কনের মা-বাবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন অপহরণকারী ও তার পরিবার। এমন সময় বরের পরিবার একটি গাভি, নগদ অর্থ ও দামি উপহার ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিয়ে থাকে কনের পরিবারকে।

রুয়ান্ডায় কনে-অপহরণ বিবাহের কারণে অনেক নারীকেই পরবর্তীতে পড়তে হয় বিপদে। সেখানকার মানবাধিকার কর্মীদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যেসব পুরুষ এমন বিয়ে করেন তাদের মধ্যে এক তৃতীয়াংশই স্ত্রীদের ছেড়ে দেন। এমনকি অপহরণের পর ধর্ষিত নারীদের গর্ভ থেকে বেশিরভাগই জন্ম হয় প্রতিবন্ধী সন্তানের।

এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই পিরামিড আর নীলনদের মিশর। মিশরে খ্রিস্টান বিবাহিত বা অবিবাহিত সব নারীকেই ইসলামে দীক্ষিত করতে পুরুষরা কনে অপহরণ করেন। তারপর তাদের বিয়ে করেন মুসলিম পুরুষরা। এক্ষেত্রে নারীদের ধর্ষণ করা হয়। এমন রীতির প্রচলন ঘটে রাষ্ট্রপতি আবদেল ফাত্তাহ সাঈদ হুসেন খলিল এল-সিসি’র সালাফিস্ট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে।

নববধূ অপহরণের ঘটনা প্রচলিত ইথিওপিয়ার অনেক অঞ্চলে। সেখানে প্রায় ৬৯ শতাংশ নববধূ অপহরণর ঘটনা ঘটে বলছে দেশটির ২০০৩ সালের এক সমীক্ষা। ইথিওপিয়ায় কোনও পুরুষ যদি অন্যের বউকে অপহণ করতে চান তাহলে তিনি কাজটি করেন বন্ধুদের সমন্বয়ে। এক্ষেত্রে ঘোড়া ব্যবহার করে থাকেন অপহরণের কাজে।

সেখানকার এ রীতি পালন করা হয় প্রকাশ্যে। নারীকে অপহরণ করে নিজ বাড়িতেই নিয়ে যেতে পারবেন ওই পুরুষ। গর্ভবতী না হওয়া পর্যন্ত পুরুষটি পরিবারের সামনেই ধর্ষণ করেন ওই নারীকে। এরপর তাদের বিয়ে দেওয়া হয়। আর যদি কোনও কারণে ওই নারী গর্ভবতী না হন তাহলে স্ত্রীর মর্যাদা দেন না ধর্ষণকারী পুরুষ।

ইথিওপিয়ার অন্তত ১০ থেকে ১৩ শতাংশ বিবাহ এমন অপহরণের মাধ্যমে ঘটে বলে উঠেছে এসেছে ইউনিসেফের এক প্রতিবেদনে। সেখানে কেবল বিবাহিত নারীকেই নয়, অপহরণের পর দীর্ঘদিন আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয় নাবালিকাদেরকেও।

মধ্য এশিয়ার কিরগিস্তান, কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান এবং উজবেকিস্তানের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল কারাকালাপাকস্তানে কনে অপহরণের ঘটনা নিত্যদিনের ঘটনা। তবে ২০১৩ সালে এমন রীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিরগিস্তানে। সেখানে কনে অপহরণে দোষীর সাজা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ বছেরের কারাদণ্ড।

কিরগিস্তানে কনে অপহরণ ‘আলা কচু’ নামে পরিচিত। স্ত্রী গ্রহণের একটি স্বীকৃত এবং সাধারণ নিয়ম আলা কচু । ২০১৫ সালে কিরগিস্তানের এক সমীক্ষায় উঠে আসে, সেখানকার অপহরণের শিকার হয়ে বিবাহে আবদ্ধ হন প্রায় ১৪ শতাংশ নারী। সেখানে বউ চুরির ঘটনা ৭৫-৮০ শতাংশেরও বেশি বলছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থাগুলো।

যদিও বর্তমানে এ ধরণের কর্মকাণ্ড অনেকটাই কমে গেছে। তবুও একেবারেই যে ঘটে না, তা কিন্তু নয়। আবার খুব কমই বিচার হয় অবৈধ এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে।

শুধু এ কয়েকটি দেশ নয় বরং কেনিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, দাগেস্তান, চেচনিয়া এবং ইঙ্গুশেটিয়াসহ এমন ঘটনা ঘটে আজারবাইজানেও। ব্রাইড কিডন্যাপিংয়ের প্রচলন রয়েছে জর্জিয়া, পূর্ব ও দক্ষিণ এশিয়া, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়ার হামং সংস্কৃতিতেও।

এমনকি বউ চুরির মতো নিকৃষ্ট ঘটনা ঘটে আসছে চীন, জাপান, আমেরিকা, যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, দক্ষিণ আমেরিকা, ইউরোপের রোমা (রোমানি) সম্প্রদায়, ভূমধ্যসাগরীয়, ইতালি, আয়ারল্যান্ড, মাল্টার স্লাভিক উপজাতিদের মধ্যেও। সময়নিউজ

সোমবার, ১ মার্চ ২০২১, ০৩:৩০

ছবি জালিয়াতি করে সনদ গ্রহণ করা তিন `এভারেস্ট বিজয়ী` বহিষ্কার

ছবি জালিয়াতি করে সনদ গ্রহণ করা তিন `এভারেস্ট বিজয়ী` বহিষ্কার

এভারেস্ট জয় না করেও ছবি এডিট করে সনদ নেয়া দুইজনসহ তিন ভারতীয়কে নিষিদ্ধ করেছে নেপাল। নরেন্দ্র সিং যাদব, সীমা রানি গোস্বামী এবং তাদের দলনেতা নব কুমার ফুকোনকে ছয় বছর নেপালে পবর্তারোহণ থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রতারণা করায় অভিযুক্ত দুইজনের সনদও বাতিল করেছে নেপালি কর্তৃপক্ষ।

 

শুক্রবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৪:০৪

এ কেমন বিকৃত রুচি!

এ কেমন বিকৃত রুচি!

গণমাধ্যমে প্রায়ই নানা ধরনের অদ্ভুত ঘটনা উঠে আসে। এবার উঠে এল বিকৃত রুচির চরম সীমা লঙ্ঘনের ঘটনা।সেটি হচ্ছে- মুরগির সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত হয়েছে এক ব্যক্তি। ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাজ্যে।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ০৩:০৯

‘বর্ষসেরা’ গাছের সঙ্গে বাঘের আলিঙ্গনের ছবি

‘বর্ষসেরা’ গাছের সঙ্গে বাঘের আলিঙ্গনের ছবি

গাছের বুকে বাঘের লেপ্টে থাকা এক ছবি ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার অব দ্য ইয়ার (ডব্লিউপিওয়াই) প্রতিযোগিতায় বর্ষসেরা নির্বাচিত হয়েছে। রাশিয়ার সের্গেই গর্শকভ নিজ দেশের ফার ইস্ট অঞ্চলের জঙ্গল থেকে তুলেছেন এই ছবি।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২০, ০৩:৩৬

বিয়ে করলেই নবদম্পতি পাবে ৪ লাখ ৮২ হাজার টাকা!

বিয়ে করলেই নবদম্পতি পাবে ৪ লাখ ৮২ হাজার টাকা!

বিয়ে করলেই নবদম্পতি সরকারের কাছ থেকে আর্থিক পুরস্কার পাবেন! পুরস্কারের মূল্যও কম নয়, বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪ লাখ ৮২ হাজার টাকা। না তবে এদেশে নয়, নবদম্পতিকে বিয়ের জন্য এমন উপহার এবার থেকে দেবে জাপান সরকার। কিন্তু কেন?

আসলে জাপানের সাধারণ মানুষের অনেকেই আজীবন অবিবাহিত থাকেন। কেউ একা থাকেন, কেউ বা থাকেন সঙ্গীর সঙ্গে লিভ–ইন রিলেশনশিপে। এই কারণে অনেকেই সন্তান ধারণ করতে চান না। ফলে আশঙ্কানজক হারে কমে গেছে দেশটির জন্মহার। আর সেটা বাড়ানোর দিকেই এবার নজর দিয়েছে সেদেশের সরকার। এজন্য তারা চালু করেছে ‘Newlyweds and New Life Support Project’ নামে একটি প্রকল্পের। এই প্রকল্পের আওতায় দম্পতিদের এই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। সম্প্রতি একটি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে এই খবর প্রকাশিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩:১৩

১০ বছর দাফনহীন ছিল শেষ সুলতান দ্বিতীয় আবদুল মাজিদের মরদেহ!

১০ বছর দাফনহীন ছিল শেষ সুলতান দ্বিতীয় আবদুল মাজিদের মরদেহ!

সুলতান দ্বিতীয় আবদুল মাজিদ বসে বসে ফরাসি দার্শনিক মনটেইনের রচনাবলী পড়ছিলেন। তখন রাত। ইস্তাম্বুলের পুলিশপ্রধান আদনান বেগ তার দলবল নিয়ে এক্কেবারে সুলতানের বাসভবনে হানা দেয়।

সুলতান যারপরনাই বিস্মিত হন। সামান্য একজন পুলিশ, সুলতানের বাড়ি ঢুকে যাবে অনুমতি ছাড়া। কিন্তু তার বিস্ময় বাড়িয়ে দিতে আদনান বেগ জানান আজকে পার্লামেন্টে আইন পাশ হয়েছে। সুলতান ফজরের পূর্বেই বাসভবন ছাড়তে হবে। ছাড়তে হবে তুরস্কও!

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:৩৩

সাগর থেকে কক্সবাজার সৈকতে উঠে এলো তিমি (ভিডিও)

সাগর থেকে কক্সবাজার সৈকতে উঠে এলো তিমি (ভিডিও)

করোনাভাইরাস সঙ্কটের কারণে মানুষের বিচরণ কমে গেছে সর্বত্র। সাগরে বড় জাহাজ ও নৌকা চলাচল বন্ধ। সেই সঙ্গে কমেছে মাছ ধরা ট্রলারের চলাচল। এমন সুযোগে বঙ্গোপসাগর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রাণি। কিছুদিন আগে কক্সবাজার সৈকতে দেখা গেছে বিরল প্রজাতির ডলফিনের খেলা। এবার পর্যটকশূন্য কক্সবাজার সৈকতে দেখা গেল তিমি।

সোমবার, ২২ জুন ২০২০, ০২:৩০

লকডাউন অমান্য, পুনম পান্ডে গ্রেপ্তার

লকডাউন অমান্য, পুনম পান্ডে গ্রেপ্তার

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লকডাউন নিয়ে যখন কড়া মুম্বাই প্রশাসন সেই সময় আইন উপেক্ষা করে রাস্তায় বের হন পুনম। একেবারে মেরিন ড্রাইভে তার বিলাসবহুল গাড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা মেরিন ড্রাইভে পৌঁছান।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২০, ০৪:২২

সর্বশেষ
জনপ্রিয়