সোমবার   ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩   মাঘ ২৩ ১৪২৯   ১৫ রজব ১৪৪৪

সর্বশেষ:
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন লুলা যে কোনো দিন খুলবে স্বপ্নের বঙ্গবন্ধু টানেল শীতে কাঁপছে উত্তরাঞ্চল দেশে করোনার নতুন ধরন, সতর্কতা বিএনপির সব পদ থেকে বহিষ্কার আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া নৌকার প্রার্থীর পক্ষে মাঠে কাজ করবো: মাহিয়া মাহি মর্মান্তিক, মেয়েটিকে ১২ কিলোমিটার টেনে নিয়ে গেল ঘাতক গাড়ি! স্ট্যামফোর্ড-আশাসহ ৪ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বর্ষবরণে বায়ু-শব্দদূষণ জনস্বাস্থ্যে ধাক্কা কোনো ভুল মানুষকে পাশে রাখতে চাই না বাসস্থানের চরম সংকটে নিউইয়র্কবাসী ট্রাকসেল লাইনে মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্ত একাকার! ছুটি ৬ মাসের বেশি হলে কুয়েতের ভিসা বাতিল ১০ হাজার বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত চুক্তিতে বিয়ে করে ইউরোপে পাড়ি আইফোন ১৪ প্রোর ক্যামেরায় নতুন দুই সমস্যা পায়ের কিছু অংশ কাটা হলো গায়ক আকবরের ১৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১০০ কোটি ডলার নারী ফুটবলে দক্ষিণ এশিয়ার চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে আবার বাড়লো স্বর্ণের দাম
২৬৪

শীতের সাথে চলে গেছে পোশাক ব্যবসায়ীদের মুখের হাসি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৮ জানুয়ারি ২০১৯  

মাঘ মাসের শীতে নাকি বাঘও কাঁপে। কিন্তু এবার তার উল্টোটা হয়েছে। মাঘ মাসেও বৈদ্যুতিক পাখা চালাতে হচ্ছে। মাঝ মাঘে দিনের বেলা ভ্যাপসা গরম অনুভব হচ্ছে। এবার শীত আসার আগেই চলে গেছে। নতুন করে শীত পড়ার সময়ও নেই। শীত আবার দেখা দেবে আগামী বছরে। এই বছর হাড় কাপানো শীতের দেখা মেলেনি শহরে।

প্রকৃতির এই বিরূপ চেহারার প্রভাব পড়েছে শীতের পোশাকের মার্কেটগুলোতে। শীতকে কেন্দ্র করে যেসব গরম কাপড় দোকানে তুলেছিল ব্যবসায়ীরা তার অধিকাংশই অবিক্রিত রয়ে গেছে।

রবিবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে শহরের বিপনী বিতানগুলোতে সরেজমিনে দেখা যায়, গরম কাপড়ের স্তুপ থাকলেও ক্রেতাদের দেখা মিলছে না। সকাল হতে সারাদিন ক্রেতাদের অপেক্ষায় থাকলেও ক্রেতার দেখা পাচ্ছেন না বিক্রেতারা। অলস সময় পার করছেন তারা। এবার তেমন শীত না পড়ায় শীতের পোশকগুলোর তেমন বিক্রি হয়নি বলে জানায় বিক্রেতারা। অবিক্রিত শীতের পোশাক আগামীবার বিক্রির জন্য রেখে দিচ্ছেন তারা।

নগরীর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল সংলগ্ন হাবীব টাওয়ারের এক দোকান মালিক আজিজুল ইসলাম বলেন, পৌষের শুরুতে যেই ভাবে শীত পড়েছিল আমরা আশায় ছিলাম যে এবার কেনা-বেচা ভাল হবে। এবং সেই হিসেবে মালামাল আমরা আনি। কিন্তু শীত আসার আগেই চলে গেছে। ক্ষতি তো হয়েছে। কি আর করার। কপালে যা আছে তাই হবে। এই কাপড়গুলো রেখে দেবো আগামী বছর দেখি কি করা যায়।

চাষাড়ায় অবস্থিত মার্ক টাওয়ারের দোকান মালিক রিয়াদ বলেন, ক্রেতা আসে ২-১ টা। আমরা মূলত শীতের পাশাপাশি পোশাকের ডিজাইনের ওপর ভিত্তি করেও শীতের পোশাক আনি। আমাদের শীতকে কেন্দ্র করে আনা পোশাকগুলো বিক্রি হলেও অনেকটা বাকি আছে। এখন যেহেতু কিনে ফেলেছি এগুলো তো আর ফেলে দিতে পারি না। তাই চিন্তা করছি আমরা এগুলো কিছেু রেখে দেবো এবং বাকিগুলো হকারের কাছে বিক্রি করে দিবো।

সাপ্তাহিক আজকাল
সাপ্তাহিক আজকাল
এই বিভাগের আরো খবর