বুধবার   ৩০ নভেম্বর ২০২২   অগ্রাহায়ণ ১৬ ১৪২৯   ০৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

সর্বশেষ:
কোনো ভুল মানুষকে পাশে রাখতে চাই না বাসস্থানের চরম সংকটে নিউইয়র্কবাসী ট্রাকসেল লাইনে মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্ত একাকার! ছুটি ৬ মাসের বেশি হলে কুয়েতের ভিসা বাতিল ১০ হাজার বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত চুক্তিতে বিয়ে করে ইউরোপে পাড়ি আইফোন ১৪ প্রোর ক্যামেরায় নতুন দুই সমস্যা পায়ের কিছু অংশ কাটা হলো গায়ক আকবরের ১৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১০০ কোটি ডলার নারী ফুটবলে দক্ষিণ এশিয়ার চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে আবার বাড়লো স্বর্ণের দাম
১২৯

সংঘাতের পথে রাজনীতি

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২  

রাজপথে উত্তাপ বাড়ছে। বিএনপির সমাবেশে কোনো না কোনো পক্ষ হামলা করছে, ঘটছে প্রাণহানি। বিএনপি সম্প্রতি রুখে দাঁড়াতেও শুরু করেছে। পুলিশ ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, দুপক্ষের ওপরই পাল্টা চড়াও হচ্ছে বিএনপি কর্মীরা। রাজপথের এই বাস্তবতায় সরকারের পদত্যাগ দাবিতে অনড় বিএনপি। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগও সোজাসাপটা বলে দিয়েছে, সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক বা অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো সুযোগ নেই। আর জাতীয় পার্টি মনে করছে, ক্ষমতা পাওয়ার জন্য সংঘাতের পথ উন্মুক্ত করেছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। এই অবস্থায় সংঘাত ক্রমশ বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সাধারণ মানুষও জানতে চাইছে, কোন পথে এগোবে রাজনীতি।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলছেন, সংঘাতময় পরিবেশ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে একটি অপরাজনৈতিক গোষ্ঠী। যারা সম্প্রদায়িক রাজনীতি করে, যারা ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায়। একবার তারা ৭৫ এর ১৫ আগস্ট গণতান্ত্রিক অধিকারকে হত্যা করে ক্ষমতা দখল করেছিল। এই অপশক্তি জনগণের প্রত্যাশা পূরনে ব্যর্থ হয়েছিল। জনসমর্থন না পাওয়ার আতঙ্কে ভুগে তারা এখন জনগণকে আতঙ্কে ফেলার জন্য দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, আমি মনে করি না বাংলাদেশের রাজনীতি সংঘাতময় হওয়ার কোন সুযোগ আছে। কারণ বাংলাদেশের মানুষ এই সন্ত্রাসী অপশক্তিকে ইতেমধ্যেই বারবার প্রত্যাখান করেছে। তারা জনসমর্থন না পেয়ে এই রকম সংঘাতময় পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছে। কিন্তু তারা সফল হবে না ।
এই সংঘাতময় পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখান থেকে উত্তরণের উপায় একটাই। সন্ত্রাসী রাজনীতি পরিহার করে সংবিধানের পথেই বিএনপির আসা উচিত বলে আমি মনে করি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, বর্তমানে রাজনৈতিক যে সংঘাত বা সংকট তা নতুন নয়, ২০০৮ সাল থেকে এটি শুরু হয়েছে তা এখনও শেষ হয়নি। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের উপায় সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জনগণ কী ভাবছে এটার উপর নির্ভর করছে। আর আমরা আমাদের মত কাজ করে যাচ্ছি।   

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, দেশের বড় দুটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে একটি দল ক্ষমতায় থাকার জন্য, আরেকটি দল ক্ষমতায় আসার জন্য রাজনৈতিকভাবে দেশকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

তিনি বলেন, এখন আর গণতন্ত্র নেই। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি বারবার সংবিধান সংশোধন করে গণতন্ত্রের নামে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। সকল ক্ষমতা এখন এক ব্যক্তির হাতে কুক্ষিগত করা হয়েছে। তিনি বলেন, দলীয়করণের মাধ্যমে দেশে বৈষম্য সৃষ্টি করা হয়েছে।

প্রশ্নের জবাবে মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ওপর মানুষ বিরক্ত হয়ে পড়েছে। দেশের মানুষ এই দুটি দলকে আর পছন্দ করছে না। তাই দেশের চলমান রাজনীতিকে সংঘাত থেকে বের করে আনতে হলে, দেশের সকল রাজনৈতিক দলকে এক প্লাটফর্মে আসতে হবে।

সাপ্তাহিক আজকাল
সাপ্তাহিক আজকাল
এই বিভাগের আরো খবর