সোমবার   ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩   মাঘ ২৩ ১৪২৯   ১৫ রজব ১৪৪৪

সর্বশেষ:
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন লুলা যে কোনো দিন খুলবে স্বপ্নের বঙ্গবন্ধু টানেল শীতে কাঁপছে উত্তরাঞ্চল দেশে করোনার নতুন ধরন, সতর্কতা বিএনপির সব পদ থেকে বহিষ্কার আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া নৌকার প্রার্থীর পক্ষে মাঠে কাজ করবো: মাহিয়া মাহি মর্মান্তিক, মেয়েটিকে ১২ কিলোমিটার টেনে নিয়ে গেল ঘাতক গাড়ি! স্ট্যামফোর্ড-আশাসহ ৪ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বর্ষবরণে বায়ু-শব্দদূষণ জনস্বাস্থ্যে ধাক্কা কোনো ভুল মানুষকে পাশে রাখতে চাই না বাসস্থানের চরম সংকটে নিউইয়র্কবাসী ট্রাকসেল লাইনে মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্ত একাকার! ছুটি ৬ মাসের বেশি হলে কুয়েতের ভিসা বাতিল ১০ হাজার বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত চুক্তিতে বিয়ে করে ইউরোপে পাড়ি আইফোন ১৪ প্রোর ক্যামেরায় নতুন দুই সমস্যা পায়ের কিছু অংশ কাটা হলো গায়ক আকবরের ১৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১০০ কোটি ডলার নারী ফুটবলে দক্ষিণ এশিয়ার চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে আবার বাড়লো স্বর্ণের দাম
২৭০

কিডনিকে সুস্থ রাখতে কামরাঙা থেকে দূরে থাকুন

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

কিডনির সমস্যায় ভুগছেন? তা হলে আজই ছাড়তে হবে একটি বিশেষ ফল। শুধু কিডনির সমস্যায় ভোগা রোগীরাই নয়, কিডনিকে সার্বিক ভালো রাখতেও এই ফলকে ‘নিষিদ্ধ’ বলে জানাল একটি গবেষণা। ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা-সহ নানা দেশে এই ফলের ফলন ভালোই। বিশেষত, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া জুড়েই এই ফলের হরেক ব্যবহার দেখা যায়। কোথাও কাঁচা, কোথাও বা চাটনি আকারে, আবার কোথাও সেদ্ধ করেও এই ফল খাওয়ার চল আছে। জনপ্রিয় সেই কামরাঙাকেই এ বার কিডনির রোগীদের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে সম্প্রতি ঘোষণা করল ব্রাজিলের সাও পাওলো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা।

তবে সাও পাওলো একা নয়, এর আগে চিন ও মার্কিন মুলুকে নানা গবেষকও এই একই কথা বলেছেন। ‘শুধু কিডনির রোগীদের ক্ষেত্রে তো এই নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কোনো দ্বিমতই নেই। শুধু তা-ই নয়, যাদের কিডনির অসুখ নেই, তাদের ক্ষেত্রেও তা ভালো রাখতে এই ফল যত সম্ভব কম খাওয়াই ভাল।’ 

কিন্তু কেন? চিকিৎসকদের মতে, কামরাঙায় থাকা নানা উপাদানের মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, ভিটামিন সি, সাইট্রিক অ্যাসিড, পটাশিয়াম ইত্যাদি উপকারী উপাদান যেমন আছে, তেমনই ‘ক্যারামবক্সিন’ (মার্কিন বিজ্ঞানীদের দেওয়া নাম) নামের এক টক্সিনের উপস্থিতিও। মূলত, এই কারণেই কামরাঙাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে চিকিৎসকদের মত। 

ক্যারামবক্সিন মস্তিষ্কের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। কামরাঙা খাওয়ার ফলে তা শরীরে প্রবেশ করলে কিডনির মূল কাজই হয়, তাকে ছেঁকে শরীরের বর্জ্যের সঙ্গে বার করে দেওয়া। কিন্তু কিডনি দুর্বল হলে সেই কাজ সে ঠিক মতো করতে পারে না। ফলে রক্তের মাধ্যমে ওই টক্সিন মস্তিষ্কে প্রবেশ করে। 

এর ভয়াবহতা এতটাই যে, কিডনির সমস্যায় ভুগতে থাকা মানুষ কামরাঙা খেলে, এই টক্সিনের প্রভাবে সাধারণ মাথা যন্ত্রণা থেকে শুরু করে মৃগীর মতো খিঁচুনি, এমনকি, মস্তিষ্ককোষের ক্ষতি হয়ে তিনি কোমায় পর্যন্ত চলে যেতে পারেন। ফলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। 

‘কিডনি সুস্থ থাকলে বা তার স্বাভাবিক কাজকর্ম বজায় থাকলে কামরাঙা খাওয়া যায়, তবে তাও খুব বেশি মাত্রায় নয়। কারণ ঘন ঘন ক্যারামবক্সিন টক্সিন বার করতে করতে কিডনির দুর্বল হয়ে পড়ার সম্ভাবনা বাড়ে। আর যদি কোনো কিডনির অসুখের রোগী এই ফল খেয়েও ফেলেন তা হলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন ডায়ালিসিসের জন্য।’ 

সাপ্তাহিক আজকাল
সাপ্তাহিক আজকাল
এই বিভাগের আরো খবর