ঢাকা, ২০২০-০৮-১১ | ২৬ শ্রাবণ,  ১৪২৭
সর্বশেষ: 
অমিতাভের পর অভিষেকও করোনা আক্রান্ত বিশ্ব ধরেই নিচ্ছে বাংলাদেশ জালিয়াতির দেশ : শাহরিয়ার কবির ইরাকে মর্গের পাশে রাত কাটছে বাংলাদেশিদের! বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শক বাংলাদেশের সেঁজুতি সাহা সাহেদর টাকা থাকত নাসির, ইন্ডিয়ান বাবু ও স্ত্রী সাদিয়ার কাছে ‘বাংলাদেশিদের ভোট দিন’ মানবতার সেবায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ অনিশ্চিতায় ফেরদৌস খন্দকার কৃষ্ণাঙ্গ হত্যা থামছেই না বিক্ষোভ অব্যাহত গভর্নরের সিদ্ধান্ত মানছে না মেয়র অভিবাসীরা জিতলেন হারলেন ট্রাম্প করোনার ধাক্কা - মে মাসে রপ্তানি কমেছে ২০ হাজার কোটি টাকার পুলিশ সংস্কার বিল উঠলো মার্কিন কংগ্রেসে লাইফ সাপোর্টে থাকা নাসিমের জন্য মেডিকেল বোর্ড পুনর্গঠন আইসিইউ নিয়ে হাহাকার ঈদের ছুটিতে অনিরাপদ হয়ে উঠছে গ্রামগুলো ঘরে ঘরে ভুতুড়ে বিল, বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে সমন্বয় হবে নিউইয়র্কে ‘ট্রাম্প ডেথ ক্লক’ নিউইয়র্কে জেবিবিএ’র পরিচালক ইকবালুর রশীদ লিটনের মৃত্যু নিজ আয়ে চলা শুরু করলো বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি কবে খুলবে নিউইয়র্ক নিউইয়র্কে এবার নতুন ভাইরাসে শিশুরা আক্রান্ত

৩৫ বছর পর গ্রিনকার্ড পেয়েও দেখতে পেলেন না দরবার হোসেন

প্রকাশিত: ০৪:৪৬, ২৪ মে ২০২০  


আজকাল রিপোর্ট
নিউইয়র্কে দীর্ঘ ৩৫ বছর প্রতীক্ষার পর গ্রিনকার্ড পাওয়ার পর মারা গেলেন এক প্রবাসী বাংলাদেশি। প্রবাসী বাংলাদেশি দরবার হোসেন ১৯৮৫ সালে আমেরিকায় আসেন। স্বপ্নের দেশ আমেরিকায় এসে অনেক কষ্ট করে নিজের জীবনকে টেনে নিয়ে গেছেন। নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
দরবার হোসেনের দু ছেলে এখন আমেরিকায়। দুজনই আইটি বিশেষজ্ঞ। তারা নিউইয়র্কের বাইরে কাজ করেন। একজন ওহাইয়োতে অন্যজন মিশিগানে। দরবার হোসেন থাকতেন নিউইয়র্কের জ্যামাইকায়।
ল’ অফিস অব এহসানের সহকারী আইন বিশেষজ্ঞ ড. রফিক আহমেদ জানান, বৈধ কাগজপত্র তৈরি করতে অনেকের কাছেই গিয়েছিলেন দরবার হোসেন। প্রচেষ্টার সঙ্গে সঙ্গে অনেক ডলারও খরচ করেছিলেন। কিন্তু কোন কাজ হয়নি।
ড. রফিকও তাদের ল’ফার্ম থেকে দরবার হোসেনের জন্যে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন। ইন্টারভিউয়ের সময় সঙ্গে গিয়েছিলেন।
অবশেষে এই করোনা সঙ্কটের সময়েই দরবার হোসেনের গ্রিনকার্ড তাদের হাতে পৌঁছে। ড. রফিক তাকে সে খবর জানান। গ্রীনকার্ডের কথা শুনে খুব খুশি হয়েছিলেন দরবার হোসেন। করোনা দুর্যোগ শেষ হলে অফিসে এসে গ্রিনকার্ড নিয়ে যাওয়ার কথাও জানান।
কিন্তু ১৬ মে তার জ্যামাইকার বাসায় হঠাৎ করেই মারা যান দরবার হোসেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৬৪ বছর।
মৃত্যুর কারণ হৃদরোগ নাকি অন্য কিছু সে বিষয়ে আইন বিশেষজ্ঞ ড. রফিক আহমেদ নির্দিষ্ট করে কিছু জানেন না বলে জানালেন।
ড. রফিক আহমেদ বলেন, সবচেয়ে দুঃখজনক হলো, গ্রিনকার্ডের জন্য ৩৫ বছর অপেক্ষার পর যখন সে কার্ড এল, দরবার হোসেন কার্ডটি হাতে নিয়ে ধরেও দেখার সুযোগ পেলেন না। এই ৩৫ বছরে তিনি যে আরও কি কি হারিয়েছেন তা তিনিই জানেন। কিন্তু গ্রিনকার্ডের স্বপ্ন যখন দরবার হোসেনের পূরণ হলোÑ তখনই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেন।
উল্লেখ্য, দরবার হোসেনের দেশের বাড়ি ঠাকুরগাঁয়ে।

 

কমিউনিটি সংবাদ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়