ঢাকা, ২০২১-০১-২০ | ৭ মাঘ,  ১৪২৭
সর্বশেষ: 
শেষ রাতে দু’রাকাত নামাজ জীবন পরিবর্তন করে দিতে পারে নতুন করোনাভাইরাস আতঙ্কে ইউরোপ-আমেরিকার শেয়ারবাজারে ধস জুনের মধ্যে আসছে আরও ৬ কোটি করোনার টিকা বাড়িভাড়ায় নাভিশ্বাস, ফের বাড়ানোর পাঁয়তারা অমিতাভের পর অভিষেকও করোনা আক্রান্ত বিশ্ব ধরেই নিচ্ছে বাংলাদেশ জালিয়াতির দেশ : শাহরিয়ার কবির ইরাকে মর্গের পাশে রাত কাটছে বাংলাদেশিদের! বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শক বাংলাদেশের সেঁজুতি সাহা সাহেদর টাকা থাকত নাসির, ইন্ডিয়ান বাবু ও স্ত্রী সাদিয়ার কাছে ‘বাংলাদেশিদের ভোট দিন’ মানবতার সেবায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ অনিশ্চিতায় ফেরদৌস খন্দকার কৃষ্ণাঙ্গ হত্যা থামছেই না বিক্ষোভ অব্যাহত গভর্নরের সিদ্ধান্ত মানছে না মেয়র অভিবাসীরা জিতলেন হারলেন ট্রাম্প করোনার ধাক্কা - মে মাসে রপ্তানি কমেছে ২০ হাজার কোটি টাকার পুলিশ সংস্কার বিল উঠলো মার্কিন কংগ্রেসে লাইফ সাপোর্টে থাকা নাসিমের জন্য মেডিকেল বোর্ড পুনর্গঠন আইসিইউ নিয়ে হাহাকার ঈদের ছুটিতে অনিরাপদ হয়ে উঠছে গ্রামগুলো ঘরে ঘরে ভুতুড়ে বিল, বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে সমন্বয় হবে নিউইয়র্কে ‘ট্রাম্প ডেথ ক্লক’ নিউইয়র্কে জেবিবিএ’র পরিচালক ইকবালুর রশীদ লিটনের মৃত্যু নিজ আয়ে চলা শুরু করলো বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি কবে খুলবে নিউইয়র্ক নিউইয়র্কে এবার নতুন ভাইরাসে শিশুরা আক্রান্ত

বিটকয়েনের রেকর্ড দর ১৯,৮৬০ ডলার

প্রকাশিত: ১০:১৫, ২ ডিসেম্বর ২০২০  

ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ভার্চুয়াল মুদ্রা বিটকয়েনের দর গত সোমবার ৯ শতাংশ বেড়ে যাওয়ায় তা রেকর্ড ছাড়িয়েছে। এর আগে ২০১৭ সালে বিটকয়েনের দর সর্বোচ্চ উঠেছিল ১৯,৭৮৩ ডলার। গত বছরের চাইতে বিটকয়েনের দর বেড়েছে ১৭৫ শতাংশ। অথচ কোভিড মন্দায় বিটকয়েনের দর নেমে দাঁড়িয়েছিল গত মার্চে ৪ হাজার ডলারে। গত কয়েক মাসে ডলারের দর হ্রাস পাওয়ায় ক্রিপ্টোকারেন্সির দর বাড়তে থাকে। এসকিউ ও পে পাল বিটকয়েনে লেনদেন অনুমোদন দেয়ার পর এধরনের ভার্চুয়াল মুদ্রার গ্রহণযোগ্যতা বেড়ে গেছে। একই সঙ্গে মুদ্রা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ফিডেলিটি বড় বিনিয়োগকারীদের বিটকয়েনকে তহবিল হিসেবে লেনদেন করতে শুরু করায় এর দাম চড়তে থাকার আরেক কারণ। শিকাগো মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জে বিটকয়েনের মাধ্যমে ব্যবসায়িক লেনদেন চলছে। দি গার্ডিয়ান

তবে বিটকয়েনের দর ওঠা-নামার মধ্যে থাকলেও বাস্তবে এর কোনো অস্তিত্ব নেই। ইন্টারনেট ব্যবস্থাপনায় বিটকয়েনের প্রোগ্রামিং করা আছে যেটি চাইলে কেনা যায়। এটা এমন একটি কয়েন যেটি কোনও কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা কোনও দেশের জারি করা মুদ্রা নয়। ইন্টারনেট সিস্টেমকে ব্যবহার করে কিছু ব্যক্তি এই সিস্টেমকে ডেভেলপ করেছে। এজন্যে এটাকে একধরনের জুয়াখেলা বলে মনে করেন অনেকে। বিনিয়োগকারীরা টাকা খাটিয়ে বিটকয়েনের মাধ্যমে লাভজনক ভাবে নিজেদের মূলধন বৃদ্ধির চেষ্টা করেন

বিটকয়েনের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হচ্ছে যে এর কোনও কর্তৃপক্ষ নেই, এর সাথে কোনও কেন্দ্রীয় ব্যাংক নেই যাদের কাছে বলা যাবে এটার বিনিময়ে আমি কিছু পেতে পারি। কারো কাছে যদি বিটকয়েন থাকে যা সে পাঁচশো ডলার দিয়ে কিনেছে এবং সেটা যদি সে ১৯ হাজার ডলারে বিক্রি করতে চায় কেবলমাত্র সেই দামেই সেটি কিনতে হবে। তবে মুদ্রা দিয়ে যেভাবে পণ্য বা সেবা কেনা যায়, বিটকয়েন দিয়েও তা কেনা যায়। কোনও ব্যক্তির কাছে এধরনের পণ্য বা সেবা প্রদানের ব্যবস্থা থাকলে সে চাইলে বিটকয়েনর বিনিময়ে সেটি বিক্রি করতে পারবে। অনলাইনে যেভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেমে কেনাকাটা হচ্ছে সেভাবে বিটকয়েনের মাধ্যমে অনলাইনে কেনা-কাটা করা সম্ভব। 

কোনো কোনো বিশ্লেষক মনে করেন বিটকয়েনের দর ওঠানামা করে দ্রুত। কয়েকদিন আগে এর দাম ছিল এক হাজার ডলার। তারও আগে ছিল একশো ডলার। একবছরের মধ্যে একশো থেকে এক হাজার ডলারে দাম উঠে যায়। এরপর কয়েক মাসের মধ্যে এর দাম উঠে গেছে ১৯ হাজার ডলারে। এটা ‘র‌্যাশনাল বিহেভিয়ার’ নয়। অনেকেই এর পেছনে বিনিয়োগ করছে আরও বেশি টাকার জন্য। এরকম ক্ষেত্রে হঠাৎ করে এইসব লোকেরা বাজার থেকে সরে গেলে বিপদে পড়বেন অনেকেই। একই সঙ্গে বিটকয়েনের সঙ্গে কোনও কর্তৃপক্ষ জড়িত নেই বলে টাকাটা আরও বেশি পরিমাণে সরবরাহের কোনও সুযোগ নেই। বিটকয়েনের দর পতন হলে বা এর মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করার কোনও মেকানিজম নেই। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বিটকয়েনে বিনিয়োগ না করতে। এটা কোনও অনুমোদিত কারেন্সি না। এটাতে বিনিয়োগ করা ঠিক হবে না।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়