শুক্রবার   ১৪ জুন ২০২৪   জ্যৈষ্ঠ ৩০ ১৪৩১   ০৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

সর্বশেষ:
দিনের বেলায় মরুভূমির চেয়েও উত্তপ্ত চাঁদ ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৩২৭ ৬ কংগ্রেসম্যানের চিঠির সত্যতা চ্যালেঞ্জ করে ২৬৭ প্রবাসী বাংলাদেশি অক্টোবরের মধ্যেই ‘আন্দোলনের ফসল’ ঘরে তুলতে চায় বিএনপি শর্তসাপেক্ষে নিউইয়র্কে মসজিদে আজানের অনুমতি বাংলাদেশ থেকে বিনা খরচে মালয়েশিয়া গেলেন ৩১ কর্মী খেলাপি ঋণ কমাতে কঠোর নির্দেশ জার্মানে পাঁচ বছর বাস করলেই পাওয়া যাবে নাগরিকত্ব বিএনপি-জাপা বৈঠক সিঙ্গাপুরে বাইডেন প্রশাসনকে হাসিনার কড়া বার্তা এবার হাসিনার পাশে রাশিয়া বঙ্গ সম্মেলনের ইতিহাসে ন্যাক্কারজনক ঘটনা স্টুডেন্ট লোন মওকুফ প্রস্তাব বাতিল বাংলাদেশিদের ওপর উপর্যুপরি হামলা যুক্তরাষ্ট্রের উচিত আগে নিজ দেশে মানবাধিকার রক্ষা করা: শেখ হাসিনা তামিমের অবসর অভিযোগের তীর পাপনের দিকে নিউইয়র্কে এখন চোরের উপদ্রুব যুক্তরাষ্ট্রের ২৪৭তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে হাতিরঝিলের ক্ষতি হবেই ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধবিরতি, পাঁচ দিনে নিহত ৩৫ যুক্তরাষ্ট্রে একের পর এক বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটছে বাখমুত থেকে পিছু হটেছে সেনারা, স্বীকার করল রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণ ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ সুপার সাইক্লোন হবে না, দাবি আবহাওয়া অধিদপ্তরের সুদানে যুদ্ধে সাড়ে ৪ লাখ শিশু বাস্তুচ্যুত : জাতিসংঘ পারস্য উপসাগরে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ এশিয়ায় খেলাপি ঋণে দ্বিতীয় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে সারা দেশে ভোগান্তি রুশ হামলা সামলে ফের বিদ্যুৎ রপ্তানি করতে যাচ্ছে ইউক্রেন রিজার্ভ সংকট, খাদ্যমূল্য বৃদ্ধির জন্য সরকারের দুর্বল নীতিও দায়ী পূজার ‘জিন’ একা দেখতে পারলেই মিলবে লাখ টাকা! সিরিয়ায় আর্টিলারি হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল বাইডেন না দাঁড়ালে প্রার্থী হবেন কে নাইজেরিয়ায় ৭৪ জনকে গুলি করে হত্যা ভারতে বাড়ছে করোনা, বিধিনিষেধ জারি তিন রাজ্যে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন লুলা যে কোনো দিন খুলবে স্বপ্নের বঙ্গবন্ধু টানেল শীতে কাঁপছে উত্তরাঞ্চল দেশে করোনার নতুন ধরন, সতর্কতা বিএনপির সব পদ থেকে বহিষ্কার আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া নৌকার প্রার্থীর পক্ষে মাঠে কাজ করবো: মাহিয়া মাহি মর্মান্তিক, মেয়েটিকে ১২ কিলোমিটার টেনে নিয়ে গেল ঘাতক গাড়ি! স্ট্যামফোর্ড-আশাসহ ৪ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বর্ষবরণে বায়ু-শব্দদূষণ জনস্বাস্থ্যে ধাক্কা কোনো ভুল মানুষকে পাশে রাখতে চাই না বাসস্থানের চরম সংকটে নিউইয়র্কবাসী ট্রাকসেল লাইনে মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্ত একাকার! ছুটি ৬ মাসের বেশি হলে কুয়েতের ভিসা বাতিল ১০ হাজার বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত চুক্তিতে বিয়ে করে ইউরোপে পাড়ি আইফোন ১৪ প্রোর ক্যামেরায় নতুন দুই সমস্যা পায়ের কিছু অংশ কাটা হলো গায়ক আকবরের ১৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১০০ কোটি ডলার নারী ফুটবলে দক্ষিণ এশিয়ার চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে আবার বাড়লো স্বর্ণের দাম
১২২৯

নতুন ইমিগ্র্যান্ট ঠেকাতে সিনেটে বিল পাস

প্রকাশিত: ২০ মে ২০২৩  

স্বজনদের স্পন্সর করতে আর্থিক স্বচ্ছলতার প্রমাণ লাগবে : ৫ বছর পর্যন্ত কোন বেনিফিট নয়

   
মনোয়ারুল ইসলাম :
নতুন ইমিগ্র্যান্টদের মেডিকেইড, ফুড এসিসট্যান্স ও হাউজিং এসিট্যান্স বন্ধে রেজুলেশন পাশ করলো সিনেটের রিপাবলিকান সদস্যরা। সিনেটে রিপাবলিকানরা মাইনরিটি হওয়া সত্ত্বেও ডেমোক্র্যাট দলীয় সিনেটর মুনশান ও জন টেস্টার রেজুলেশনের পক্ষে ভোট দেয়ায় তা ৫০-৪৭ ভোটে গত বুধবার তা পাশ হয়। তা এখন হাউজ অব রিপ্রেজেনটেটিভে  (লোয়ার হাউজ) পাঠানো হবে। সেখানে রিপাবলিক্যানরাই মেজরিটি। সহজেই অনুমেয়, হাউজে তা অনায়াসেই পাস হবে। এরপর তা যাবে হ্য়োাইট হাউসে প্রেসিডেন্টের ডেস্কে। জো বাইডেন তা স্বাক্ষর করলে এটি হবে ইমিগ্রান্টদের জন্য একটি বড় ধরনের আঘাত।
এই নতুন বিধান অনুযায়ী বাবা, মা, ভাইবোনসহ আত্মীয়স্বজনদের স্পন্সর করে আমেরিকায় আনতে চাইলে তাদের পুরোপুরি স্বচ্ছলতার প্রমাণাদি দিতে হবে। ইমিগ্রেশন অফিসারদের তদন্তে এ সব তথ্য সন্তোষজনক বিবেচিত না হলে তারা ভিসা বা গ্রীন কার্ডের আবেদন গ্রহণ করবে না। আমেরিকায় আসার পর মেডিকেইড, ফুড এসিসট্যান্স ও হাউজিং এসিট্যান্স এর মতো বেনিফিটের জন্য তারা আবেদন করতে পারবে না। এ সংক্রান্ত কাগজপত্রে তাদের স্বাক্ষর করতে হবে।
তবে পর্যবেক্ষক মহলের ধারনা, এ আইনটি কংগ্রেসে পাস হলেও প্রেসিডেন্ট বাইডেন এতে ভেটো দেবেন। উল্লেখ্য, সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৯ সালে ‘পাবলিক চার্জ’ নামে একটি অধ্যাদেশের মাধমে ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী এই আইন বলবৎ করেন। এর আওতায় কোন বিদেশি নাগরিক আমেরিকায় আসার পর পাবলিক বেনিফিট নেবেন না এমন প্রতিশ্রুতি পত্রে স্বাক্ষর করতে হতো। বিশেষ করে স্পন্সর করে আত্মীয়স্বজনদের এদেশে আনার ক্ষেত্রে ট্রাম্পের অধ্যাদেশটি ছিল বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা। ভিসা নিয়ে এদেশে আসতে চাইলেও পাবলিক চার্জ অ্যাক্টের আওতায় আবেদন অযোগ্য বলে বিবেচিত হতো।
বাইডেন ক্ষমতায় আসার পর ২০২২ সালে ট্রাম্পের  ‘পাবলিক চার্জ’্ আইনকে রহিত করে দেন। গত ১৭ মে বুধবার সিনেট বাইডেনের বাতিল করা ‘পাবলিক চার্জ’ আইনটি পুর্নবহাল করার জন্যে রেজুলেশন পাস করে। কার্যত ট্রাম্পের ইমিগ্রেশন বিরোধী অধ্যাদেশটিকে বহাল করার জন্যেই সিনেট এই রেজুলেশন পাস করেছে। রেজুলেশনটি সিনেটে উত্থাপন করেন রিপাবলিকান দলীয় সিনেটর রজার মার্শাল। দুজন ডেমোক্র্যাট সিনেটর রেজুলেশনটির পক্ষে ভোট দিয়ে এটিকে পাশ করিয়ে দিয়েছেন।  
ইমিগ্রেশন এডভোকেটরা বলছেন, পাবলিক চার্জ আইনটি আবার ফিরে এলে আত্মীয়স্বজনদের গ্রীনকার্ড নিয়ে এদেশে আগমনের পথ বন্ধ হয়ে যাবে। বিশেষ করে বাংলাদেশি ইমিগ্র্যান্টদের আর্থিক স্বচ্ছলতায় সবসময়ই ঘাটতি থাকে। এ দেশে আসার পর পাঁচ বছর কোন সরকারি বেনিফিট নিলে স্ট্যাটাস এডজাস্ট এর বেলায় নানা প্রতিবন্ধকতার মুখোমখি হতে হবে।
রেজুলেশনটি উত্থাপনকালে ক্যানসাস থেকে নির্বাচিত সিনেটর রজার মার্শাল বলেন, দেশ ৩১ ট্রিলিয়ন ডলারের ঋণে জর্জরিত। দক্ষিণাঞ্চলে মাইগ্র্যান্ট সংকট চলছে। এমতাবস্থায় আমেরিকা ইমিগ্র্যান্টদের বেনিফিটের ভার বহন করতে প্রস্তুত নয়। তাই পাবলিক চার্জ বাতিল সংক্রান্ত বাইডেনের আদেশটি রহিত করা হোক।

 

সাপ্তাহিক আজকাল
সাপ্তাহিক আজকাল
এই বিভাগের আরো খবর