সোমবার   ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩   মাঘ ২৩ ১৪২৯   ১৫ রজব ১৪৪৪

সর্বশেষ:
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন লুলা যে কোনো দিন খুলবে স্বপ্নের বঙ্গবন্ধু টানেল শীতে কাঁপছে উত্তরাঞ্চল দেশে করোনার নতুন ধরন, সতর্কতা বিএনপির সব পদ থেকে বহিষ্কার আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া নৌকার প্রার্থীর পক্ষে মাঠে কাজ করবো: মাহিয়া মাহি মর্মান্তিক, মেয়েটিকে ১২ কিলোমিটার টেনে নিয়ে গেল ঘাতক গাড়ি! স্ট্যামফোর্ড-আশাসহ ৪ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বর্ষবরণে বায়ু-শব্দদূষণ জনস্বাস্থ্যে ধাক্কা কোনো ভুল মানুষকে পাশে রাখতে চাই না বাসস্থানের চরম সংকটে নিউইয়র্কবাসী ট্রাকসেল লাইনে মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্ত একাকার! ছুটি ৬ মাসের বেশি হলে কুয়েতের ভিসা বাতিল ১০ হাজার বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত চুক্তিতে বিয়ে করে ইউরোপে পাড়ি আইফোন ১৪ প্রোর ক্যামেরায় নতুন দুই সমস্যা পায়ের কিছু অংশ কাটা হলো গায়ক আকবরের ১৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১০০ কোটি ডলার নারী ফুটবলে দক্ষিণ এশিয়ার চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে আবার বাড়লো স্বর্ণের দাম
৫৮

ঢাকায় এক বছরে ৪৯০ অপহরণ মামলা

প্রকাশিত: ২১ জানুয়ারি ২০২৩  


আজকাল ডেস্ক
রাজধানী ঢাকায় ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরে ৪৯০ জনকে অপহরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৪৭ জন নারী ও ১৯৪ জন শিশু। এ ছাড়া আরো ৪৯ জন অপহৃত হয়। এদের মধ্যে দুজনকে হত্যা করা হয়েছে। অপহৃত ব্যক্তিদের মধ্যে ৩৪৪ জনকে উদ্ধার করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। এর মধ্যে নারী ও শিশু ৩১৪ জন। মামলার তথ্য অনুযায়ী, মৃত দুজন বাদে ১৪৪ জন এখনো নিখোঁজ।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত মাসিক প্রতিবেদনের তালিকা থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে নারী ও শিশু অপহরণের ঘটনায় মোট মামলা হয়েছে ৫২৫টি। এর মধ্যে নারী অপহরণ ২৪৮টি ও শিশু অপহরণ মামলা ২৭৭টি।  মামলায় মোট আসামি ছিল ৫৭০ জন। এর মধ্যে ৩২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে নারী অপহরণ মামলায় ১৮২ জন ও শিশু অপহরণ মামলায় ১৪২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত এক বছরে অপহৃত ১৮৪ জন নারী ও ১৩০ জন শিশুকে উদ্ধার করা হয়।
অপহৃত ব্যক্তিদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা বেশি। ডিএমপির তথ্য মতে, গত পাঁচ বছরে শুধু ঢাকা মহানগরে নারী ও শিশু অপহরণের দুই হাজার ৩৬৭ মামলা হয়েছে। এর মধ্যে নারী অপহরণের ঘটনায় মামলা এক হাজার ৫১০টি ও শিশু অপহরণ মামলা ৮৫৭টি।
নারী ও শিশু অপহরণের ঘটনা বেশি হওয়ার বিষয়ে ডিএমপির একাধিক থানার ওসি বলেন, নারী ও শিশু অপহরণের ঘটনা তদন্তে দেখা গেছে, বেশির ভাগ ঘটনা প্রেমঘটিত সম্পর্কের কারণে ঘটেছে। এসব ঘটনায় অভিভাবকরা অপহরণ মামলা করে থাকেন। ভুক্তভোগীদের মধ্যে ১৫ থেকে ২৫ বছর বয়সীদের সংখ্যাই বেশি।  আর যারা ১৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী, তাদের ক্ষেত্রে শিশু অপহরণ মামলা হয়ে থাকে।
উদ্ধার করা বেশির ভাগ ব্যক্তি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বা ট্রমায় ভুগছে। অপরাধ ও সমাজ বিশ্লেষক অধ্যাপক ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, কেউ অপহৃত হলে তার ওপর বেশ শারীরিক ও মানসিক ধকল যায়। নির্যাতনের ঘটনাও ঘটে। এসব তার মনে গভীরভাবে বিরূপ প্রভাব ফেলে। এতে উদ্ধার হওয়ার পর তার মধ্যে মানসিক অবসাদ থেকে যায়।
এ বিষয়ে অপরাধ বিশ্লেষক নুর খান লিটন বলেন, গত এক বছরে খোদ রাজধানী থেকে এত মানুষ অপহরণের ঘটনা আতঙ্কের বিষয়। এসব ঘটনায় যে বা যারাই জড়িত থাকুক, তাদের খুঁজে বের করে বিচারের মুখে দাঁড় করানো আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর দায়িত্ব। অন্যথায় এ ধরনের অপরাধ বাড়তে থাকবে।

 

সাপ্তাহিক আজকাল
সাপ্তাহিক আজকাল
এই বিভাগের আরো খবর