ঢাকা, ২০২০-১০-২৬ | ১০ কার্তিক,  ১৪২৭
সর্বশেষ: 
অমিতাভের পর অভিষেকও করোনা আক্রান্ত বিশ্ব ধরেই নিচ্ছে বাংলাদেশ জালিয়াতির দেশ : শাহরিয়ার কবির ইরাকে মর্গের পাশে রাত কাটছে বাংলাদেশিদের! বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শক বাংলাদেশের সেঁজুতি সাহা সাহেদর টাকা থাকত নাসির, ইন্ডিয়ান বাবু ও স্ত্রী সাদিয়ার কাছে ‘বাংলাদেশিদের ভোট দিন’ মানবতার সেবায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ অনিশ্চিতায় ফেরদৌস খন্দকার কৃষ্ণাঙ্গ হত্যা থামছেই না বিক্ষোভ অব্যাহত গভর্নরের সিদ্ধান্ত মানছে না মেয়র অভিবাসীরা জিতলেন হারলেন ট্রাম্প করোনার ধাক্কা - মে মাসে রপ্তানি কমেছে ২০ হাজার কোটি টাকার পুলিশ সংস্কার বিল উঠলো মার্কিন কংগ্রেসে লাইফ সাপোর্টে থাকা নাসিমের জন্য মেডিকেল বোর্ড পুনর্গঠন আইসিইউ নিয়ে হাহাকার ঈদের ছুটিতে অনিরাপদ হয়ে উঠছে গ্রামগুলো ঘরে ঘরে ভুতুড়ে বিল, বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে সমন্বয় হবে নিউইয়র্কে ‘ট্রাম্প ডেথ ক্লক’ নিউইয়র্কে জেবিবিএ’র পরিচালক ইকবালুর রশীদ লিটনের মৃত্যু নিজ আয়ে চলা শুরু করলো বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি কবে খুলবে নিউইয়র্ক নিউইয়র্কে এবার নতুন ভাইরাসে শিশুরা আক্রান্ত

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কোভিড ভয়াবহ কেনো ?

প্রকাশিত: ০২:২২, ৬ আগস্ট ২০২০  

দিন যত যাচ্ছে কোভিড-১৯ তত ভয়াবহ হচ্ছে। বিশ্বসাস্থ্য সংস্থা থেকে জানা গেছে ভ্যাকসিন এলেও এর প্রকোপ সহজে কমবে না। এখন প্রশ্ন হলো কাদের জন্য করোনা বেশি ভয়াবহ? বেশিরভাগ গবেষনা থেকে জানা গেছে ডায়াবেটিস রোগী, যাদের কিডনিতে সমস্যা রয়েছে এবং শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হয়।

 বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা গেছে, কোভিডের মূলে প্রায় ২৫ শতাংশ ক্ষেত্রে অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের হাত থাকে। এবং তার ফলে অনেক রোগীই মারা যান।ব্যাপারটা চিন্তার। কারণ, আমাদের দেশে ডায়াবেটিসের প্রকোপ খুব বেশি। অনিয়মিত জীবনযাপনের ফলে ৩০ যেতে না যেতেই বহু মানুষ এর কবলে পড়েন বা পড়ছেন। কাজেই কোভিড নিয়েও চিন্তা আমাদেরই বেশি।

কেন এমন 

হরমোন বিশেষজ্ঞদের মতে , “ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকলে একদিকে যেমন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় বলে সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ে, অন্য দিকে রক্তে সুগারের মাত্রা বেশি থাকলে বাড়ে কোভিডের জটিলতাও। তার হাত ধরে আবার বাড়ে ডায়াবিটিসের জটিলতা। আর এইসব পাকেচক্রে ডায়াবেটিক কিটো অ্যাসিডোসিস বা ডিকেএ নামের সমস্যা একবার হয়ে গেলে কোভিডের দরুন যেসব জটিল পরিস্থিতি উদ্ভূত হয়, তা সামলানো কঠিন হয়ে যায়। অর্থাৎ বিপদের উপর বিপদ।”

 ইদানীং আবার আরেকটা সমস্যা হচ্ছে। ডায়াবেটিসের এমন এক ওষুধ বাজারে এসেছে, যা খেলে সুগার স্বাভাবিক থেকে যায় বলে ডিকেএ হলেও অনেক সময় তা বোঝা যায় না বলে চিকিৎসা বিভ্রাটের আশঙ্কা থাকে। কাজেই ডায়াবেটিসের রোগী যদি এই ওষুধ খান, কোভিডের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হলে আগেই তা ডাক্তারকে জানিয়ে দেবেন।

বিপদ সামলাতে

কোভিডের সুরক্ষাবিধি মেনে চলার পাশাপাশি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে, এটাই হল আসল কথা। তার জন্য যা যা করা দরকার, করতে হবে সব। যেমন-

• রোগ বশে থাকলে যেভাবে চলছিলেন, সেভাবেই চলুন।

• ব্যায়াম করুন। এতে ওজন-সুগার বশে থাকবে, বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।

• পানি খাওয়ার ব্যাপারে কার্পণ্য করবেন না। কারণ সুগারের কিছু ওষুধ আছে, যা খেলে জল বেশি না খেলে সমস্যা হতে পারে।

• ধূমপান করবেন না।

• অনেক ডায়াবেটিক রোগীরই রক্তচাপ বেশি থাকে। এবং কোভিডের আশঙ্কা বাড়তে পারে বলে যেসব ওষুধের নামের শেষে ‘প্রিল’ বা ‘সার্টান’ আছে, তাঁরা তা খাওয়া বন্ধ করে দেন। এতে মারাত্মক বিপদ হতে পারে। কারণ কোনও গাইডলাইনেই এখনও পর্যন্ত বলা হয়নি যে, এই সব ওষুধ খেলে কোভিডের আশঙ্কা বাড়ে।

[৭] রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়মিত মাপতে হবে।

• স্ট্রেস ম্যানেজ করার চেষ্টা করুন। না হলে সুগার যেমন বেড়ে যেতে পারে, কমতে পারে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।

• ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনও ওষুধ খাবেন না। কারণ, নানান ওষুধের নানান বিরূপ প্রতিক্রিয়া আছে সুগারের উপর।

• সুগার হঠাৎ বেড়ে গেলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

• ডায়াবেটিক কিটো-অ্যাসিডোসিস হলে অনেক সময় শ্বাসকষ্ট হয়। সেটাকে কোভিডের উপসর্গের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলবেন না। যদিও ডিকেএ-ও যথেষ্ট বিপজ্জনক।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়