ঢাকা, ২০২০-১০-২৮ | ১৩ কার্তিক,  ১৪২৭
সর্বশেষ: 
অমিতাভের পর অভিষেকও করোনা আক্রান্ত বিশ্ব ধরেই নিচ্ছে বাংলাদেশ জালিয়াতির দেশ : শাহরিয়ার কবির ইরাকে মর্গের পাশে রাত কাটছে বাংলাদেশিদের! বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শক বাংলাদেশের সেঁজুতি সাহা সাহেদর টাকা থাকত নাসির, ইন্ডিয়ান বাবু ও স্ত্রী সাদিয়ার কাছে ‘বাংলাদেশিদের ভোট দিন’ মানবতার সেবায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ অনিশ্চিতায় ফেরদৌস খন্দকার কৃষ্ণাঙ্গ হত্যা থামছেই না বিক্ষোভ অব্যাহত গভর্নরের সিদ্ধান্ত মানছে না মেয়র অভিবাসীরা জিতলেন হারলেন ট্রাম্প করোনার ধাক্কা - মে মাসে রপ্তানি কমেছে ২০ হাজার কোটি টাকার পুলিশ সংস্কার বিল উঠলো মার্কিন কংগ্রেসে লাইফ সাপোর্টে থাকা নাসিমের জন্য মেডিকেল বোর্ড পুনর্গঠন আইসিইউ নিয়ে হাহাকার ঈদের ছুটিতে অনিরাপদ হয়ে উঠছে গ্রামগুলো ঘরে ঘরে ভুতুড়ে বিল, বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে সমন্বয় হবে নিউইয়র্কে ‘ট্রাম্প ডেথ ক্লক’ নিউইয়র্কে জেবিবিএ’র পরিচালক ইকবালুর রশীদ লিটনের মৃত্যু নিজ আয়ে চলা শুরু করলো বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি কবে খুলবে নিউইয়র্ক নিউইয়র্কে এবার নতুন ভাইরাসে শিশুরা আক্রান্ত

একান্ত সাক্ষাৎকারে বললেন ‘আমি ষড়যন্ত্রের শিকার’

ডাক্তার ফেরদৌসের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

প্রকাশিত: ০৩:৪৭, ৪ জুলাই ২০২০  



মনোয়ারুল ইসলাম
ডাক্তার ফেরদৌস খোন্দকার নিউইর্য়কে একটি পরিচিত নাম। পেশায় খ্যাতিও অর্জন করেছেন প্রচুর। তার চেম্বার সবসময়ই রোগীর সমাগমে লোকারণ্য। ব্যবহারও অমায়িক। গত এক দশক চিকিৎসা পেশা থেকে আয় করেছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ থেকে ডাক্তারি পাশ করেছেন। আমেরিকায় আসার পর রেসিডেন্সি করেছেন ইন্টারনাল মেডিসিন এর ওপর ‘আওয়ার লেডি অব মারসি মেডিক্যাল সেন্টার থেকে। তার এফিলিয়েটেড হাসপাতালের তালিকায় রয়েছে ইন্টারফেইথ মেডিক্যাল সেন্টার-নিউইর্য়ক, প্রেসবাইট্যারিয়ান হসপিটাল-কুইন্স, মারসি মেডিক্যাল সেন্টার ও মাউন্ট সিনাই হসপিটাল। করোনাকালে ডাক্তার ও নার্সরা হচ্ছেন মানব কল্যাণে প্রকৃত হিরো। এই দূর্যোগে জনাব খোন্দকার সুপার হিরো হিসেবে আর্বিভূত হয়েছিলেন। চিকিৎসা সেবা প্রদান ও অসহায়গ্রস্থ মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছেন। শতশত ভিডিও তৈরি করেছেন করোনা সচেতনতা বিষয়ক। ছড়িয়ে দিয়েছেন সোশাল মিডিয়ায়। হাজার হাজার মানুষ দেশে ও প্রবাসে তার ভিডিও দেখে উপকৃত হয়েছেন। প্রশংসা করেছেন। পরিচিতি ও খ্যাতির শিখরে উঠে আসেন দ্রুত। ঘোষণা দেন বাংলাদেশে গিয়ে করোনা আক্রান্ত মানুষের সেবা দেবার। বিমানে ওঠার সাথে সাথে দেশে ও প্রবাসে তাকে নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে থাকে। এমনকি বাংলাদেশ সরকারের প্রতিষ্ঠান পিআইবি-প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ এর ডিজি জাফর ওয়াজেদ তাকে খন্দকার মোশতাকের আত্মীয় উল্লেখ করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। নিউইর্য়কের কয়েকজন নারী ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের অভিযোগ এনেছেন। তার সার্টিফিকেট রিভোক করারও দাবি জানাচ্ছেন। হানিয়াম মারিয়া নামক এক মহিলা ‘চেঞ্জ ডট ওরগ’ নামে সোশাল মিডিয়ায় এ দাবি জানাচ্ছেন। তার পিটিশনে ইতোমধ্যে ৪৫০৮ (বৃহস্পতিবার ৪টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত) স্বাক্ষর পড়েছে। আজকালের পক্ষ থেকে অবশ্য পিটিশনকারিনীর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। তার পরিচয় পাওয়াও সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশি কমিউনিটিতে ফেরদৌস খোন্দকার এখন সবচেয়ে আলোচিত ও সমালোচিত ব্যক্তিত্ব। সমালোচনার ভারে এই হিরো ডাক্তারের সুনাম এখন জিরোতে নামতে বসেছে! সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আজকাল প্রতিনিধি কথা বলেছেন তার সাথে। তার সাথে কথোপকথন এখানে তুলে ধরা হলো।
আজকাল: আপনাকে তো খুনি মোশতাকের আত্মীয়/ভাতিজা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। আসলেই কি তাই?
ডাক্তার ফেরদৌস: ডাহা মিথ্যা কথা। কোন সম্পর্ক নেই। এমনকি আমার পরিবারের দূরের কেউ মোশতাকের কেউ নন। এটা ছড়ানো হয়েছিল বাংলাদেশে গিয়ে যাতে প্রিয় জনগণের সেবা করতে না পারি। যাতে করোনায় আক্রান্ত মানুষের সেবক হতে না পারি। সম্পূর্ণ প্রতিহিংসায় এটা করা হয়েছে। ওরা বাংলাদেশের মানুষকে সেবা প্রাপ্তির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করলো। ওরাই খুনি খোন্দকারের দোসর। ওরাই খোন্দকার মোশতাকের আত্মীয়। আমি নই।
আজকাল: আপনি তো অনেক ঢাকডোল পিটিয়ে বাংলাদেশে গেলেন করোনা চিকিৎসা দিতে। ১৪ দিন কোয়ারেন্টিন শেষ হবার পর নিউইর্য়কে চলে আসলেন কেন?
ডাক্তার ফেরদৌস: আমি তো আড়াই সপ্তাহের জন্য গিয়েছিলাম। দুই সপ্তাহ কোয়ারেন্টিন খেয়ে ফেললো। তাই চলে এলাম।
আজকাল: এয়ারপোর্ট থেকে শুধু আপনাকেই কোয়ারেন্টিনে নিয়ে গিয়েছিল? নাকি অন্যদেরও?
ডাক্তার ফেরদৌস: আমাকে নিয়েছিল। অন্যদের ব্যাপারে জানি না।
আজকাল: কারা আপনাকে নিয়ে গিয়েছিল?
ডাক্তার ফেরদৌস: ইন্টিলিজেন্সের লোকজন।
আজকাল: কেমন ছিলেন সেখানে?
ডাক্তার ফেরদৌস: ভালো। খুবই ভালো। যেমন, মধ্যরাতে লিচু খাওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছি। এক ঘন্টার মধ্যে তা পেয়েছি। সার্ভিস ছিল খুবই উন্নতমানের। সবাই স্যার বলে সম্বোধন করতো।
আজকাল: ঢাকায় টেলিভিশনে বললেন বেশ কয়েকদিন থাকবেন। জনগণের সেবা করবেন। কিন্তু আমরা দেখলাম পরদিন রাতেই ঢাকা ছাড়লেন। কেউ কেউ বলছেন, রাতের অন্ধকারে চলে এসেছেন। কেন এমন হলো?
ডাক্তার ফেরদৌস: এয়ারপোর্টে অন্ধকার থাকে না। সব সময় আলো ঝলমল। দিনের চেয়েও বেশি আলো। আর ফ্লাইট রাতের বেলায় হলে দিনে উড়বো কেমনে। তবে এটা সত্য টিভিতে আরও কয়েকদিন দেশে থাকার কথা বলেছিলাম। কোয়ারেন্টিন থেকে বের হবার পর করোনা সেবা প্রদানের ব্যাপারে মাঠে নেমেছিলাম। কিন্তু বাধা আসতে থাকলো। সব যায়গায় এপ্রোচ করেছি। নেগেটিভ ম্যাসেজ আসতে থাকলো। চেনা জানা লোকগুলো অচেনা হয়ে গেল। অজানা কারণে তারা আমার সাথে কাজ করতে কমফোর্ট ফিল করছেন না বলে জানালেন। তাছাড়া আমি শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলাম। তাই চলে এলাম।
আজকাল: সরকারের কোনও পর্যায়ে আপনি সহায়তা চেয়েছিলেন?
ডাক্তার ফেরদৌস: আমি এমন কেউ নই যে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে গিয়ে কিছু বলবো। তবে আমার সাথে ঢাকায় যারা কাজ করতে চেয়েছিলেন তারা নিশ্চয়ই একটা স্তরে যোগাযোগ করেছিলেন। কিন্তু ষড়যন্ত্র ভালো উদ্যোগটিকে নষ্ট করে দিল।
আজকাল: কারা এর পেছনে কাজ করেছে বলে মনে করেন?
ডাক্তার ফেরদৌস: সবাই তাদের চেনেন। তারাই খোন্দকার মোশতাকের আত্মীয়।
আজকাল: নিউইর্য়ক-ঢাকা ও  ঢাকা-নিউইর্য়ক সফরকে কিভাবে মূল্যায়ণ করবেন?
ডাক্তার ফেরদৌস: আমার প্রশ্ন একটাইÑ কারা এ কাজটি করলো। মানুষের সেবায় কেন বাধা দিল। অশুভ কাজে কারা রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করলো। বাংলাদেশের রাষ্ট্রযন্ত্রের কাছে সবিনয়ে এটাই জানতে চাই।
আজকাল: বাংলাদেশে অবস্থানকালে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের কোন সহায়তা চেয়েছিলেন কি?
ডাক্তার ফেরদৌস: জ্বী। যোগাযোগ ছিল। কোয়ারেন্টিন থেকে বের হয়ে যোগাযোগ করেছিলাম। তাদের কাছে সিকিউরিটি চেয়েছিলাম। তারা বলেছিল, ইনডিভিজুয়াল সিকিউরিটি দেবার প্রোভিশন নেই। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছিল।
আজকাল: আপনি কি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করেছিলেন?
ডাক্তার ফেরদৌস: না। যোগাযোগ করিনি। একদিন পরতো চলেই আসলাম।
আজকাল: আপনারতো রাজনীতির প্রতি মোহ আছে। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের একবার উপদেষ্টা হয়েছিলেন। আবার বাদও পড়েছেন। এ নিয়ে কমিউনিটিতে অনেক কথা আছে। আপনার বক্তব্য কি?
ডাক্তার ফেরদৌস: দেখুন আমি ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতি করি। চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজে ছাত্রলীগ করেছি জান প্রাণ দিয়ে। জামায়াত শিবিরের তান্ডবে হল ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলাম। মাসের পর মাস ক্যাম্পাসে যেতে পারিনি। নিউইর্য়কে যারা আমাকে জামায়াত শিবির বানাতে চায় তাদেরই ব্যাকগ্রাউন্ডটা সবার জানা উচিত। আওয়ামী লীগের যুক্তরাষ্ট্র কমিটি আমাকে উপদেষ্টা নির্বাচিত করেছিল। আমি নিজ থেকে চাইনি। আবেদনও করিনি। পয়সাও দেইনি। তারা ২৬ জন উপদেষ্টা নির্বাচিত করে এপ্রুভাল এর জন্য ঢাকায় (কেন্দ্রে) পাঠিয়েছিল। সেটা আর এপ্রুভ হয়ে আসেনি। ওটা ওখানেই শেষ। মুখেমুখে উপদেষ্টা হয়েছিলাম। এডাপ্ট ২৬ জনের নাম কেন্দ্রে অনুমোদিত না হওয়ায় তা কোরবানি হয়ে গেছে। এটা কোন সভাপতির আমলে? জবাবে জনাব ফেরদৌস বলেন, বর্তমান সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের সময়ই।
তবে আমি আওয়ামী ঘরনার রাজনীতির সাথে সব সময় জড়িত ছিলাম। দেশে ও প্রবাসে সংগঠনকে অর্থ দিয়ে সহায়তা করেছি। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এডভোকেট সাহারা খাতুনের নির্বাচনে পোলিং এজেন্ট ছিলাম একবার।
আজকাল: আপনার ব্যবসায়িক পার্টনারের রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড কি জামায়াত শিবিরের সাথে সম্পৃক্ত ছিল? তারা কি এখনও ওই সংগঠনের সাথে জড়িত?
ডাক্তার ফেরদৌস: দেখুন একটি ছাদের নীচে কি শুধু অওয়ামী লীগ ভাবাপন্ন ডাক্তার থাকতে পারবে? অন্য মতালম্বীরা কি বাস করতে পারবে না?
আজকাল: আপনি কি পাকিস্তানি? নাকি বাংলাদেশি? আপনার পাসপোর্টে কি জন্মস্থান পাকিস্তান?
ডাক্তার ফেরদৌস: অবশ্যই বাংলাদেশি। বাংলাদেশি আমেরিকান। এটা সত্য যে আমার জন্মস্থান পাকিস্তান। ১৯৭১ সালের আগে যাদের জন্ম তাদের প্রকৃতভাবে জন্মস্থান পাকিস্তানেই। বাংলাদেশতো ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের পরে। আর যুদ্ধের আগে আমার জন্ম পশ্চিম পাকিস্তান অংশে। বাবা সেখানে এয়ারফোর্সে চাকুরি করতেন। যুদ্ধ শুরু হবার সাথে সাথে আমাদের গোটা পরিবারকে গ্রেফতার করেছিল। দেশ স্বাধীন হবার পর ছাড়া পাই এবং প্রিয় বালাদেশে চলে আসি। কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লার জন্ম পাকিস্তান। সাবেক প্রেসিডেন্ট এরশাদের জন্ম ভারতে। তারা কি পাকিস্তানি কিংবা ভারতীয় হয়ে গেছেন? তাছাড়া আমেরিকান সিটিজেনশীপ গ্রহণের সময় জন্মস্থান বাংলাদেশ উল্লেখ রাখতেও চেয়েছিলাম। কিন্তু তারা বললেন, জন্মস্থান পাকিস্তান (পশ্চিম পাকিস্থান) হলে অবশ্যই তা উল্লেখ করতে হবে। আন্ডারওথে ফিজিক্যাক্যালি জন্ম পাকিস্তান লেখাতে হয়েছে। তার মানেতো আমি পাকিস্থানি হয়ে গেলাম না।
আজকাল: ডাক্তার হিসেবে আপনি অনেক সফলতা পেয়েছেন। কিন্তু সম্প্রতি বেশ কয়েকজন নারী ফেসবুক ও ইনস্ট্রাগ্রামে আপনার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের অভিযোগ এনেছেন। আপনার ডাক্তারি সার্টিফিকেট রিভোক করারও দাবি জানাচ্ছেন। সোশাল মিডিয়ায় স্বাক্ষর অভিযান চলছে। এ অভিযোগের ব্যাপারে কিছু বলবেন কি?
ডাক্তার ফেরদৌস: দেখুন বলার অনেক ছিল। সত্যটা একদিন বেরিয়ে আসবেই। এ নিয়ে আমি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছি। কোর্টের বিষয় হওয়ায় মিডিয়ায় কিছু বলা ঠিক হবে না। আমার এর্টনি বারবার উপদেশ দিয়েছেন প্রেসের সাথে এ বিষয়ে কথা না বলতে। আপনারা প্লিজ অপেক্ষা করুন।
আজকাল: কমিউনিটিতে গুঞ্জন রয়েছে আপনি ঢাকায় গিয়ে সরকারে বড় কোন পদ পাবার জন্য এসব করছিলেন।
ডাক্তার ফেরদৌস: মিথ্যা কথা। তবে এটা আমারও কানে এসেছে। কেন এটা আমি চাইবো এবং করতে যাবো। নিউইর্য়কে আমার শতশত রোগী আছে। ১০০% আত্মীয়-স্বজন এখানে বাস করে। সরকার থেকে কোন অফার পেলেই কি আমাকে যেতে হবে?
আজকাল: আপনি কি নিজেকে নিয়ে অতি প্রচারমুখী? নিজেকে জাহির করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন?
ডাক্তার ফেরদৌস: মোটেও না। আমি স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য প্রোমোট করি। ভিডিও না বানালে মানষের হাতের মুঠোয় সেলফোনে কিংবা কম্পিউটারের পর্দায় তা নিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল না। ঘরে বসে কুরআন শরীফ পড়লেতো স্বাস্থ্যকে মানুষের কাছে নিতে পারতাম না। আর কুরআন পড়বো আল্লাহকে সামনে রেখে। আল্লাহ’র রহমত নিয়েই আধুনিক টেকনোলোজিকে মানুষের সেবায় কাজে লাগিয়েছি। দুর্মখেরা নিজেরা জীবনে কিছু করবেন না। করতে পারবেন না। যারা সমালোচনা করেন, তারা আয়নায় নিজেদের একবার দেখেন না কেন? কতটুকু সমাজকে দিয়েছেন? আর কতটুকু নিয়েছেন। আর আমার ভিডিও ভালো না লাগলে দেখবেন না!
আজকাল: নিউইর্য়কে ফিরলেন। আগের মতো মাঠে ও ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে না। কেমন আছেন?
ডাক্তার ফেরদৌস: শারীরিক ও মানসিক কোনভাবেই ভালো নেই। বিশ্রামে আছি। বাংলাদেশে এক কঠিন পরিস্থিতি ফেস করে এসেছি। সহসাই আপনাদের মাঝে ফিরে আসবো। মানুষের সেবায় বেড়িয়ে পড়বো। কোন বাধাই আমাকে আটকাতে পারবে না।
আজকাল: বাধাটা কে দিচ্ছে?
ডাক্তার ফেরদৌস: ওই যে শারীরিক ও মানসিক। আর ষড়যন্ত্রতো আছেই। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তবে আমি তোয়াক্কা করি না। মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। দোয়া করবেন।

 

সর্বশেষ
জনপ্রিয়