ঢাকা, ২০২১-০৩-০৫ | ২০ ফাল্গুন,  ১৪২৭
সর্বশেষ: 
সুন্দরী মডেলের অপহরণ চক্র ! মোটরসাইকেল উৎপাদনে বিপ্লবে দেশ যুক্তরাজ্যে করোনার আরও মারাত্মক ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত ৮ থেকে ১২ সপ্তাহ বিরতিতে অক্সফোর্ডের টিকা বেশি কার্যকর সবাই সপরিবারে নির্ভয়ে করোনা ভ্যাকসিন নিন: প্রধানমন্ত্রী শেষ রাতে দু’রাকাত নামাজ জীবন পরিবর্তন করে দিতে পারে নতুন করোনাভাইরাস আতঙ্কে ইউরোপ-আমেরিকার শেয়ারবাজারে ধস জুনের মধ্যে আসছে আরও ৬ কোটি করোনার টিকা বাড়িভাড়ায় নাভিশ্বাস, ফের বাড়ানোর পাঁয়তারা অমিতাভের পর অভিষেকও করোনা আক্রান্ত বিশ্ব ধরেই নিচ্ছে বাংলাদেশ জালিয়াতির দেশ : শাহরিয়ার কবির ইরাকে মর্গের পাশে রাত কাটছে বাংলাদেশিদের! বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শক বাংলাদেশের সেঁজুতি সাহা সাহেদর টাকা থাকত নাসির, ইন্ডিয়ান বাবু ও স্ত্রী সাদিয়ার কাছে ‘বাংলাদেশিদের ভোট দিন’ মানবতার সেবায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ অনিশ্চিতায় ফেরদৌস খন্দকার কৃষ্ণাঙ্গ হত্যা থামছেই না বিক্ষোভ অব্যাহত গভর্নরের সিদ্ধান্ত মানছে না মেয়র অভিবাসীরা জিতলেন হারলেন ট্রাম্প করোনার ধাক্কা - মে মাসে রপ্তানি কমেছে ২০ হাজার কোটি টাকার পুলিশ সংস্কার বিল উঠলো মার্কিন কংগ্রেসে লাইফ সাপোর্টে থাকা নাসিমের জন্য মেডিকেল বোর্ড পুনর্গঠন আইসিইউ নিয়ে হাহাকার ঈদের ছুটিতে অনিরাপদ হয়ে উঠছে গ্রামগুলো ঘরে ঘরে ভুতুড়ে বিল, বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে সমন্বয় হবে নিউইয়র্কে ‘ট্রাম্প ডেথ ক্লক’ নিউইয়র্কে জেবিবিএ’র পরিচালক ইকবালুর রশীদ লিটনের মৃত্যু নিজ আয়ে চলা শুরু করলো বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি কবে খুলবে নিউইয়র্ক নিউইয়র্কে এবার নতুন ভাইরাসে শিশুরা আক্রান্ত

কী থাকছে বাইডেনের অভিষেক ভাষণে

প্রকাশিত: ০৭:৩৮, ২০ জানুয়ারি ২০২১  

জো বাইডেন গত চার দশকে ক্যাপিটল হিলের ভেতরে বহুবার বক্তব্য রেখেছেন। আইনপ্রণেতা হিসেবে, প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে। কিন্তু এই চার দশকের এই সব বক্তব্যকে জুড়লেও তার গুরুত্ব আগামীকাল বুধবার অভিষেক বক্তৃতার সমতুল্য হবে না। নতুন প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণের পর দেওয়া অভিষেক বক্তব্যের গুরুত্ব একেবারে আলাদা। বাইডেনও জানেন এ কথা। আর তাই খুব সাবধানে তিনি তাঁর আসন্ন অভিষেক ভাষণটি তৈরি করছেন, যার মূল সুর স্বাভাবিকভাবেই হবে ঐক্য।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্টদের অভিষেক বক্তৃতার দিকে তাকিয়ে থাকে গোটা বিশ্ব। কারণ, এর মধ্য দিয়েই যুক্তরাষ্ট্রের ভাবি পররাষ্ট্রনীতি, অর্থনৈতিক পরিকল্পনা থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা থেকে বাইডেন এই বিষয়টি সম্পর্কে খুব ভালোভাবেই ওয়াকিবহাল। ফলে নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই একটু একটু করে তিনি তাঁর অভিষেক ভাষণটি লেখার কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর উপদেষ্টারা। তবে বাইডেন এ কাজ নিরবচ্ছিন্নভাবে করতে পারছেন না। কারণ, ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই ফল না মেনে ভুয়া ‘ভোট জালিয়াতির’ অভিযোগ তুলে একের পর এক ঝামেলা পাকাচ্ছেন তিনি। আর এর মধ্য দিয়ে অভিষেক ভাষণ তৈরির কাজকে বারবার বাধাগ্রস্ত করেছেন ট্রাম্প।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্টের পর সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্ব নিচ্ছেন জো বাইডেন। গত শতকের তিরিশের দশকের মহামন্দার সময় দায়িত্ব নিয়েছিলেন রুজভেল্ট। আর এবার বাইডেন নিচ্ছেন প্রায় কাছাকাছি মাত্রার অর্থনৈতিক সংকটের সময়ই শুধু নয়, এ সময় মহামারি ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছড়ানো জাতিবিভেদ ও সহিংসতার বিষেও আক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্র। তাই, এবারের অভিষেক ভাষণটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। এই ভাষণ লেখার কাজে সহায়তা করছেন বাইডেনের বহু দিনের উপদেষ্টা এবং ওয়েস্ট উইংয়ে বাইডেনের সঙ্গে যোগ দিতে যাওয়া মাইক ডোনিলন। বক্তৃতাটিকে আকার দিতে সহায়তা করছেন ইতিহাসবিদ ও প্রেসিডেনশিয়াল জীবনীকার জন মিচ্যাম।

অনেকে বলছেন, গত ৭ নভেম্বর বিজয় নিশ্চিত হওয়ার পর দেওয়া বাইডেনের বক্তব্যের যে মূল সুর ছিল, তা-ই এখানে মুখ্য হয়ে উঠবে

অভিষেক ভাষণটি কেমন হতে পারে? এ বিষয়ে আগে থেকে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু জানার সুযোগ নেই। বাইডেনের উপদেষ্টাদের বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, বাইডেন চান অভিষেক বক্তব্যটি একটি চমক হয়ে সামনে আসুক। আবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বদৌলতে ঘটে চলা অভাবিত সব ঘটনার প্রেক্ষাপটে এই ভাষণে এতবার পরিবর্তন আনতে হচ্ছে যে, আগে থেকে এই ভাষণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

তবে একেবারে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে না, এমন নয়। অনেকে বলছেন, গত ৭ নভেম্বর বিজয় নিশ্চিত হওয়ার পর দেওয়া বাইডেনের বক্তব্যের যে মূল সুর ছিল, তা-ই এখানে মুখ্য হয়ে উঠবে। সে সময় তাঁর বক্তব্যের মূল কথা ছিল, ‘চলুন আমরা পরস্পরকে আরেকটি সুযোগ দিই।’ সে সময় বাইডেন বলেছিলেন, ‘নিষ্ঠুর আচরণ থেকে দূরে সরে উত্তেজনা কমিয়ে পরস্পরের দিকে তাকানোর সময় এটি। চলুন আরেকবার আমরা পরস্পরের কথা শুনি। এগিয়ে যেতে হলে আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের শত্রু হিসেবে গণ্য করাটা থামাতে হবে। তারা আমাদের শত্রু নয়। তারা আমেরিকান।’

কিন্তু বাইডেনের এই ভাষাকে ডোনাল্ড ট্রাম্প সমর্থকেরা শুধু নন, ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও পাঠ করতে পারেননি। পাঠ করলে গত ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিল হামলার ঘটনা ঘটত না। বাইডেনের বিজয় প্রত্যয়ন মুহূর্তটিকে ঘিরে এমন উত্তেজনার জন্ম দিতেন না ট্রাম্প। কিন্তু এসবই ঘটেছে। কংগ্রেসে দ্বিতীয়বার অভিশংসিত হয়েছেন ট্রাম্প, যার পূর্ণাঙ্গ মীমাংসাটি আসবে বাইডেন প্রশাসনের শুরুর সপ্তাহগুলোয়। এই বাস্তবতার মধ্যেই আগামীকাল বুধবার ক্যাপিটল হিলে আবার বক্তব্য দিতে দাঁড়াবেন বাইডেন। গত চার দশকে বহুবার এই একই জায়গা থেকে বক্তব্য রেখেছেন বাইডেন। টানা ৩৬ বছর গুরুত্বপূর্ণ সিনেটর হিসেবে বক্তব্য রেখেছেন। আর টানা আট বছর রেখেছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে। কিন্তু এবারের বক্তব্যটি ধারে ও ভারে এবং প্রভাবে একেবারেই আলাদা। গোটা যুক্তরাষ্ট্রই শুধু নয়, গোটা বিশ্বই তাঁর এই বক্তব্য শোনার জন্য উদ্‌গ্রীব হয়ে আছে।

বাইডেনের ভাষণ তৈরি তুলনামূলক সহজ হবে। তিনি যা এবং তিনি যার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন—এ দুই কারণেই এটি সহজ হবে

জন ফ্যাব্রিউ, সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার মুখ্য বক্তৃতা লেখক

এ বিষয়ে বাইডেনের এক উপদেষ্টা সিএনএনকে বলেন, ‘এত কিছু ঘটার পরও, এই দেশ এত পীড়নের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পরও এই জাতির আত্মার পুনরুজ্জীবনের বার্তা দিতে তিনি কখনো দ্বিধা করেননি।’

বাইডেনের সম্ভাব্য ভাষণ সম্পর্কে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার মুখ্য বক্তৃতা লেখক জন ফ্যাব্রিউ সিএনএনকে বলেন, বাইডেনের ভাষণ তৈরি তুলনামূলক সহজ হবে। তিনি যা এবং তিনি যার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন—এ দুই কারণেই এটি সহজ হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা এক জাতীয় সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, যা এই দেশ সম্পর্কিত যাবতীয় শুভবোধের ওপর আমাদের আস্থাকে পরীক্ষার সামনে ফেলেছে। আর যে মানুষটির দায়িত্ব ছিল আমাদের সহায়তা করার, তিনিই এই সংকটকে ভয়াবহ মাত্রায় নিয়ে গেছেন। যত ভালোভাবেই লেখা হোক বা দেওয়া হোক না কেন এই সামষ্টিক ক্ষতের শুশ্রূষা করতে পারে এমন কোনো অভিষেক ভাষণ নেই। কিন্তু জো বাইডেন এমন একজন যিনি এই সময়েও আস্থা রেখেছেন ইতিবাচকতায়। এই জাতীয় সংকটকে আরও বাড়তে না দিয়ে একে ইতিবাচক দিকে ফেরানোর চেষ্টা করেছেন। ফলে তাঁর পক্ষেই জনগণকে তাঁর পথ অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়ে সবচেয়ে ভালো ভাষণটি দেওয়া সম্ভব।’

ফ্যাব্রিউয়ের মতে, বাইডেনের অভিষেক ভাষণে নীতি সম্পর্কিত লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ইত্যাদি নিয়ে বেশি আলোচনা না করাই ভালো। এই সময়ে জাতীয় ঐক্য অনেক বেশি জরুরি। বাইডেন নীতি সম্পর্কিত বিষয়াদি আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠেয় কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে তুলে ধরতে পারবেন।

তবে সত্যিকার অর্থে বাইডেনের অভিষেক ভাষণে কী থাকছে তা নিয়ে একেবারেই মুখ খুলতে নারাজ তাঁর উপদেষ্টারা। বাইডেন প্রশাসনের সম্ভাব্য চিফ অব স্টাফ রন ক্লেইন গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন পোস্টকে বলেছিলেন, বাইডেন প্রতিদিনই এর পেছনে সময় ব্যয় করছেন। বসছেন এবং ভাবছেন; কিছু অংশ লিখছেন। আবার সম্পাদনা করছেন, নতুন করে ভাবছেন ও লিখছেন।’
এই লেখা ও কাটা-ছেঁড়ার কারণ আর কিছুই নয়, অভিনব পরিস্থিতি। গত শুক্রবার (১৫ জানুয়ারি) বাইডেন এক অনুষ্ঠানে বলেন, তিনি সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ব্যতিক্রমী এক অভিষেকের মধ্য দিয়ে যাবেন। হ্যাঁ, একেবারে সত্য। বাইডেন বুধবার দুপুরে যখন অসংখ্য ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে প্রায় জনশূন্য ওয়েস্ট ফ্রন্টে তাঁর অভিষেক ভাষণটি রাখবেন, তখনো যুক্তরাষ্ট্র তার সংকট ভুলতে পারবে না। যুক্তরাষ্ট্রের বাস্তবতা হচ্ছে—প্রতিদিন করোনায় মৃত্যু ৪ হাজারের বেশি, বেকারত্ব চরমে পৌঁছেছে, অনেকে উদ্বাস্তু হচ্ছে, আর সরকারি খাদ্য সহায়তার লাইন সময়ের সঙ্গে কেবলই দীর্ঘ হচ্ছে। সঙ্গে রয়েছে ট্রাম্প জমানার বিভাজনের অসুখ ও সহিংসতার বিষ।

এই সময়ের চেয়ে রুজভেল্টের সময়টা বরং কিছুটা ভালো ছিল হয়তো। চরম অর্থনৈতিক মহামন্দায় সমাজে অস্থিতিশীলতা ছিল, ছিল বিশ্বব্যাপী কর্তৃত্ববাদের উত্থানের অসুখ। কিন্তু ভেতর থেকে পচন ধরার বিষয়টি তখন ঘটেনি। এবার এই পচন ধরার বিষয়টিই সবচেয়ে বেশি সামনে এসেছে।

এ বিষয়ে ইতিহাসবিদ ও প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জুলিয়ান জেলিজার বলেন, ‘দেশকে ঐক্যবদ্ধ করার মতো বক্তব্য রাখা বা এমন কিছু বলা, যার অর্থ সবার কাছেই একই রকম এবং কেউ তাঁর সঙ্গে একমত না হলেও বক্তব্যের মূল সুরটি বদলাবে না—এমন বক্তব্য রাখার যে ধারণা, সেই ধারণা এই বদলে যাওয়া বিশ্বে এখন অচল। যখন সবাই একই সমতলে থাকে এবং সবাই আপনার কথা শোনে, তখন ঐক্যের ডাক দেওয়া বা মানুষকে উদ্দীপ্ত করাটা এক বিষয়। কিন্তু যখন সবাই বিভাজিত, মেরুকরণ চরম, তখন এমন বার্তা পৌঁছানো ভীষণ কঠিন একটি বিষয়।’

উল্লেখ্য, রুজভেল্ট সেই ১৯৩৩ সালে তাঁর প্রথম মেয়াদের অভিষেক বক্তৃতায় মানুষকে উদ্দীপ্ত করতে সেই বিখ্যাত বাক্যটি বলেছিলেন—‘আমাদের সামনে ভয় পাওয়ার মতো একটিই বস্তু আছে, আর তা হলো ভয় নিজেই।’ ওই বক্তব্যটি ছিল ভীষণ রাজনৈতিক। ঐক্য ও উদ্দীপনার সঙ্গে সঙ্গে রুজভেল্ট কংগ্রেসের কাছে বড় পরিসরের নির্বাহী ক্ষমতা চেয়েছিলেন। যুক্তি ছিল—জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমা যেন তাঁর হাতে থাকে। তিনি সে সময় বহিঃশত্রূর আক্রমণ থেকে দেশের অস্তিত্ব রক্ষার দোহাই দিয়েছিলেন।

বিপরীতে বাইডেন অনেক সাবধানী। তিনি নির্বাহী ক্ষমতার পরিসর বৃদ্ধির বিষয়ে কোনো কথা বলেননি বা এমন কোনো লক্ষণও তাঁর মধ্যে দেখা যায়নি। কিন্তু রুজভেল্টের মতোই অস্তিত্বের প্রশ্নটি তিনি সামনে হাজির করেছেন। আর এই অস্তিত্বের প্রশ্নটি আনার সময় তিনি করোনাভাইরাসের কথাই বলেছেন। যদিও রাজনীতির বিশ্লেষক মাত্রই জানেন, এই সংকট শুধু করোনা নয়, অর্থনীতি, রাজনীতি ও জাতিগত ও বর্ণবাদী বিষের দিক থেকেও রয়েছে, রয়েছে ক্রমে অসহিষ্ণু ও সহিংস হয়ে ওঠা এবং বাড়তে থাকা উগ্র শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদের বিষয়টিও। তাঁকে এই বিষয় ও ক্ষতগুলোর বিরুদ্ধে কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর ভাষণের মধ্য দিয়ে এই আস্থার জায়গা তৈরি করতে হবে যে, তিনি ও তাঁর প্রশাসন মার্কিনদের যন্ত্রণাটি বোঝেন এবং এর উৎসটি চেনেন। আর এই সংকট মোকাবিলায় তিনি ও তাঁর প্রশাসন প্রাপ্তবয়স্কদের মতো আচরণ করবে।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়