শনিবার, ১৪ এপ্রিল ২0১৮, Current Time : 1:03 am
  • হোম »আন্তর্জাতিক» মিথ্যা শনাক্তকারী যন্ত্রে পরীক্ষা করা হলো বাজ এলড্রিনকে
    সত্যিই কি তিনি ইউএফও দেখেছিলেন?




মিথ্যা শনাক্তকারী যন্ত্রে পরীক্ষা করা হলো বাজ এলড্রিনকে
সত্যিই কি তিনি ইউএফও দেখেছিলেন?

সাপ্তাহিক আজকাল : 10/04/2018

চাঁদের বুকে পা রাখা দ্বিতীয় ব্যক্তি ছিলেন বাজ এলড্রিন। তিনি তার সহকর্মী নিল আর্মস্ট্রংয়ের সঙ্গে এপোলো-১১ মহাকাশযানটিতে করে ১৯৬৯ সালে চাঁদের বুকে পাড়ি দিয়েছিলেন। এসময় তিনি চাঁদ থেকে পৃথিবীতে ফেরার পথে তিনি একটি ইউএফও’র মত দেখতে বস্তু দেখেছিলেন বলে দাবি করেছিলেন।

তার এই দাবি নিয়ে বহুবছর ধরেই নানা তর্ক বিতর্ক করা হয়েছে। অনেকেই তাকে ‘পাগল’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন।

বহুরকম মতদ্বিমতের পর তার এই দাবির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি মিথ্যা শনাক্তকারী যন্ত্রের নিচে তাকে পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ওহাইও’র ইনস্টিটিউট অব বায়োঅ্যাকৌস্টিক বায়োলজি।

নাসার এই নভোচারীর কথার ধ্বনি পর্যবেক্ষণ করে তার কথার মধ্যে সত্যতা যাচাই করতে ব্যবহার করা হয়েছে এই মিথ্যা শনাক্তকারী যন্ত্রটি।

এই ইনস্টিটিউট যুক্তরাজ্যের ডেইলি স্টারকে জানায়, ‘বাজের কথায় তারা পুরোপুরি বিশ্বাসী।’

এর আগে এপোলো মিশনে চাঁদ থেকে পৃথিবীতে ফেরার পথে দূরবর্তী আকাশে একটি ‘এল’ আকারের বস্তু দেখেছিলেন বাজ। তার মতে, এটি অবশ্যই এলিয়েন ছিল।

বাজ ছাড়াও চাঁদে পা রাখা ষষ্ঠ ব্যক্তি এডগার মিশেলও মহাকাশে এলিয়েন দেখেছিলেন বলে দাবি করেছিলেন, এবং তার কথায়েও সত্যতা পায় এই ইনস্টিটিউট।

এর আগে ২০১৬ সালে এই এপোলো মিশনের একটি বিশেষ ছবি প্রকাশ করেছিল নাসা। এই ছবিটি চাঁদের প্রথম অভিযান অ্যাপোলো ১১ মিশনের সময় তোলা হয়। এত দিন ধরে সকলের নজর এড়িয়ে গিয়েছিল ব্যাপারটি। সেই ছবিটিতে স্পষ্টত একটি রকেট বা মিসাইলের আকারের একটি মহাকাশযান দেখা যায়। বহু দূর থেকে তোলা হয়েছিল বলে যানটি আকারে কতটা বড় তা বোঝা না গেলেও এটা বোঝা যায় যে সেটি তীব্র গতিতে ছুটে চলেছে। বাজ এলড্রিনের তোলা এই ছবিতে স্পষ্টভাবেই তার দাবি করা বস্তু দেখা যায়, যদিও এই ছবিটির সত্যতা এখনো প্রমাণিত হয়নি। সূত্র : দ্য মেট্রো



Chief Editor & Publisher: Zakaria Masud Jiko
Editor: Manzur Ahmed
37-07 74th Street, Suite: 8
Jackson Heights, NY 11372
Tel: 718-565-2100, Fax: 718-865-9130
E-mail: ajkalnews@gmail.com
� Copyright 2009 The Weekly Ajkal. All rights reserved.