মঙ্গলবার , ১৬ জানুয়ারী ২0১৮, Current Time : 1:37 am




ইসির আক্ষেপ সমঝোতা চেষ্টার কমতি ছিল না

সাপ্তাহিক আজকাল : 13/01/2018

আজকাল রিপোর্ট : ‘আমাদের দৃঢ বিশ্বাস ছিল তারা (অন্যগ্রুপ) নির্বাচনে আসবে। আমরা বলেছিলাম তাদের সব দাবী দাওয়া মেনে নেয়া হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও তারা আসেনি।’ জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশি বিজনেস এসোসিয়েশন (জেবিবিএ’র) নির্বাচন কমিশন সংবাদ সম্মেলনে এ আক্ষেপ করেন। নতুন কমিটি ঘোষণা উপলক্ষ্যে ৬ জানুয়ারি জ্যাকসন হাইটসের মেজবান রেষ্টুরেন্টে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
নির্বাচন কমিশনরা বলেন, আমরা আন্তরিকভাবে এবং সর্বান্তকরণে চেষ্টা করেছিলাম, যে গ্রুপটি নির্বাচন থেকে সরে গেছেন-তাদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে নির্বাচন সম্পন্ন করতে। তাদের সঙ্গে আমরা বৈঠক করে এটাও বলেছিলাম-আপনারা ভোটার ফরম জমা দিন। প্রয়োজনে দু’গ্রুপের ভোটার নতুন করে যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা তৈরি করা হবে। আমরা নির্বাচনের তফসিল পুনরায় নতুন করে ঘোষণা দেব। নির্বাচনে অংশ নিন এবং নির্বাচনকে সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করুন। কিন্তু তারা আমাদের কথা শোনেননি।
নির্বাচন কমিশনাররা আরো বলেন-সাংগঠনিক নিয়ম-বিধি অনুযায়ী আমরা নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি। দায়িত্ব পালনে আমরা দায়বদ্ধ ছিলাম।
নির্বাচন কমিশনাররা আরো বলেন, আমরা দিদারুল ইসলাম (দিদার-কামরুল গ্রুপের নেতা) এবং তাদের মুরুব্বীদের (সাবেক উপদেষ্টা ও এডহক কমিটির সদস্য)সঙ্গেও একই দাবি নিয়ে পৃথক পৃথক বৈঠক করেছি। তাদের নানা শর্ত মেনে নিয়েছিলাম। আমরা তাদের ব্ল্যাঙ্ক চেক দিয়েছিলাম। বলেছিলাম, নির্বাচনে আসুন, যে কোন শর্ত মানব আমরা। কিন্তু তারা এমন একটি দাবি জানান, তা কোনভাবেই মানা যায় না। তারা দাবি করেছিল-নতুন ভোটার তালিকায় নির্বাচন কমিশন এবং (সাবেক) প্রধান উপদেষ্টার স্বাক্ষর থাকবে। ইসি কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর থাকতে পারবে না। এমন দাবি গঠনতন্ত্রের ধারা মোতাবেক মানা যায় না। ভোটার তালিকায় ইসি’র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর থাকা নিয়ে তারা নির্বাচনে অংশ নিলেন না। এটা দুঃখজনক।
নির্বাচন কমিশনরার আরো বলেন, আমরা খুবই আনন্দিত হতাম, যদি তারা নির্বাচনে অংশ নিতেন। তুচ্ছ দাবি তুলে তারা কেন নির্বাচনে এলেন না-তা আমাদের বোধগম্য নয়। নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে এ কথাগুলো বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার পারভেজ কাজী এবং দু’সদস্য আব্দুল লতিফ ভূইয়া ও রেজা রশিদ।
কার্যক্রম স্থগিত: চলমান পরিস্থিতিতে জেবিবিএ’র কার্যক্রম স্থগিত করেছে আদালত। গত ৫ জানুয়ারি নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিতে কুইন্স কাউন্টির সুপ্রীম কোর্টে মামলা করেন জেবিবিএ’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল ফজল দিদারুল ইসলাম। মামলার নম্বর হচ্ছে ৯১-২০১৮ সাল। ৫ জানুয়ারি মামলা করলেও নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিতের আদেশ পান গত ৮ জানুয়ারি। এই আদেশ অনুযায়ী পরবর্তী শুনানী না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচনী কার্যক্রম চলতে পারবে না। মামলার পরবর্তী শুনানী আগামী ১৮ জানুয়ারি। মামলায় বিবাদী করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের ৫ সদস্যকে। তারা হলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার পারভেজ কাজী, আব্দুল লতিফ ভুইয়া, রেজা রশিদ, নাজিম উদ্দিন আহমেদ এবং মাহবুবুর রহমান। জানা গেছে, নিজেদের অধিকার রক্ষায় এডহক কমিটিও আরেকটি মামলা করতে যাচ্ছে। এডহক কমিটির একজন সদস্য জানান, আমরা এখন জেবিবিএ’র দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি। আমাদের বাদ দিয়ে কোন নির্বাচন হতে পারে না।



Chief Editor & Publisher: Zakaria Masud Jiko
Editor: Manzur Ahmed
37-07 74th Street, Suite: 8
Jackson Heights, NY 11372
Tel: 718-565-2100, Fax: 718-865-9130
E-mail: ajkalnews@gmail.com
� Copyright 2009 The Weekly Ajkal. All rights reserved.